শীতের হাওয়া কাঁপন ধরাচ্ছে ছোট-বড় সবার শরীরে। গ্রাম থেকে শুরু করে শহরবাসী সবাই কাঁপছে শীতে। আর একটু উষ্ণতা পেতে আলমারি, ওয়্যারড্রোব থেকে চটজলদি নামাচ্ছে ভাঁজ করে রাখা সোয়েটার। কিন্তু ঠান্ডা থেকে বাঁচালেও এই পোশাক অস্বস্তির কারণ হয়।
চুল
গোঁফ ছোট রাখা এবং দাড়ি লম্বা রাখা মুসলমানদের ধর্মীয় প্রতীক। দাড়ি রাখা কোনো ফ্যাশন নয়, এটি ইবাদত। এটি মহানবী (সা.)-সহ অন্য সব নবী-রাসুলদের সুন্নত। সুন্নাহসম্মত দাড়ি কোনো ব্যক্তি মুসলিম হওয়ার অন্যতম নিদর্শন।
শীত আসতেই শুষ্ক ও রুক্ষ আবহাওয়ার কারণে ত্বকের নানা সমস্যায় ভুগছেন অনেকেই। বিশেষজ্ঞদের মতে, শীতকালে ত্বকের স্বাভাবিক আর্দ্রতা কমে যাওয়ায় চুলকানি, শুষ্কতা, ফাটা ঠোঁট ও পা, খুশকিসহ বিভিন্ন চর্মরোগের প্রকোপ বেড়ে যায়।
চুল হলো আমাদের মাথার আক্ষরিক মুকুট। সুস্থ চুলের উৎপত্তি শরীরের ভেতর থেকেই। পুষ্টিকর খাবার চুলের বৃদ্ধিতে উচ্চ-স্তরের সিরামের চেয়েও অনেক বেশি কাজ করে। যদিও খাবার জেনেটিক্স এবং চিকিৎসাগত অবস্থার পরিবর্তন করতে পারে না।
হঠাৎ চুল পড়া নিয়ে দুশ্চিন্তা এখন খুব সাধারণ। অনেকেই ভাবেন পরিবেশ, স্ট্রেস বা শ্যাম্পুর কারণে এমন হচ্ছে। কিন্তু এর পেছনে লুকিয়ে থাকতে পারে ভিটামিন ঘাটতি, যা চুলের গোড়া দুর্বল করে দ্রুত ঝরে যেতে বাধ্য করে।
খুশকি হলো মাথার ত্বকের মরা কোষ। মানব শরীর থেকে এমন মরা কোষ ঝরে পড়তে থাকে। তবে তা খালি চোখে দেখা যায় না। অন্যদিকে মাথার ত্বকে প্রতিনিয়তই নতুন নতুন কোষ তৈরি হয়। পুরনো কোষ ঝরে পড়ে।
চট্টগ্রামের চন্দনাইশে আগুনে চার পরিবারের বসতঘরসহ দ্বিতল বাড়ির ছাদে থাকা একটি ফার্ম ভস্মীভূত হয়েছে। সোমবার (১৭ নভেম্বর) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার সাতবাড়িয়া ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের নগর পাড়া এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
শীত এলেই বইতে শুরু করে ঠান্ডা হাওয়া। শুষ্ক আবহাওয়া আর কম আর্দ্রতার কারণে ত্বক হয়ে ওঠে রুক্ষ। বেড়ে যায় খুশকির পরিমাণও। অনেকের ক্ষেত্রেই খুশকি এতোটাই বেড়ে যায় যে তার জেরে দেয় মাথা চুলকানো, চুল পড়া এমনকি ইনফেকশন।
চোখের নিচের কালো দাগ দূর করতে আলুর রসের বিকল্প নেই। অনেকেই এই ঘরোয়া উপায় ব্যবহার করেন।
শীতকালে চুলের নানা সমস্যা বেড়ে যায়—চুল শুষ্ক হয়ে পড়ে, খুশকি বাড়ে, রুক্ষভাব ও ভাঙার প্রবণতাও বৃদ্ধি পায়।