বাজারে দু’রকম রঙের ডিম পাওয়া যায়। সাদা আর বাদামি। অনেকেই ভাবেন যে কোন ডিম কিনবেন! বলা হয়, বাদামি ডিমের গুণ বেশি। তাই অনেকেই হাল্কা বাদামি বর্ণের ডিম কিনে থাকেন।
ডিম
ছড়া
সজল আশফাক
বললেন, মা ছেলেকে-
ডিম আজ খাস নে,
জেনেশুনে এক্সামে
গোল্লাটা পাস নে।
শুধু ডিমের সাদা অংশ খেলে বাদ পড়ে যায় প্রয়োজনীয় অন্যান্য পুষ্টি উপাদান। শরীরে প্রোটিনের অভাব মনে হলে এক বা একাধিক ডিম খেয়ে ফেলাটা খুবই সহজ সমাধান।
একটি জাতীয় সমীক্ষায় বলা হয়েছে যে, বাংলাদেশে ৬০ বছর বা তার বেশি বয়সী প্রতি ১২ জনের মধ্যে একজন মানুষ অর্থাৎ মোট জনসংখ্যার ৮ শতাংশ মানুষের ডিমনেশিয়া হওয়ার প্রবণতা রয়েছে। ডিমনেশিয়া হল এমন একটি মানসিক সমস্যা, যা বয়স বাড়াল কারণে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হওয়ার ফলে মানুষ সঠিক ভাবে তথ্য মনে রাখতে পারে না এবং কথা বলতে পারে না
ডিম আমাদের জীবনে এমন একটি দরকারি খাদ্য যা আমাদের প্রতিদিনের খাবারে জড়িয়ে রয়েছে। বিবাহিত, অবিবাহিত, সিঙ্গেলদের একমাত্র সমস্যার সমাধান রয়েছে এই ডিমে।
প্রোটিনের সবচেয়ে ভালো উৎস ডিম।ডিমকে বলা হয় ‘সুপারফুড’। বিভিন্ন ধরনের খাদ্যগুণ রয়েছে ডিমে। প্রোটিন, ভিটামিন, মিনারেল, ফসফরাস, আয়রন, জিংক, ম্যাঙ্গানিজসহ সব উন্নত পুষ্টি উপাদান থাকায় ডিমের গুরুত্ব অনেক।
ভারতের কয়েকটি রাজ্যে অ্যাভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা বা বার্ড ফ্লু ছড়িয়ে পড়ার পর সতর্কতা হিসেবে দেশটি থেকে মুরগি, মুরগির বাচ্চা ও ডিম, হাঁস এবং পাখি জাতীয় প্রাণির আমদানি অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করা হয়েছে।
একটি হিন্দি প্রবাদ আছে “সানডে হো ইয়া মনডে, রোজ খাও আনডে।” আপনিও যদি এই কথায় বিশ্বাস রাখেন, তবে সতর্ক হয়ে যান। অস্ট্রেলিয়ান গবেষণায় প্রকাশ, প্রতিদিন একটি ডিম খেলে টাইপ-২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি ৬০ শতাংশ বেড়ে যায়।
খাওয়া থেকে রূপচর্চায় ডিমের প্রয়োজনীয়তা কমবেশি সব গৃহস্থ বাড়িতেই রয়েছে। ডিম সেদ্ধ থেকে ডিমের ঝোল সব পদই আমবাঙালির প্রিয় পদ। তবে ডিম কেবল খাওয়া বা রূপচর্চাতেই কাজে লাগে এমন ভাবলে বড় ভুল করবেন।
কম খরচে পুষ্টি। খেতেও ভাল। দাম কিছুটা হলেও সাধ্যের মধ্যেই। ডিমের উপর ভরসা করার মূল কারণ এটাই। স্বাদ, পুষ্টি ও সুষম খাদ্যের খোঁজে ডিমের সঙ্গে পাল্লা দেওয়ার মতো খাবার খুব কম। আগে মনে করা হত ডিম খেলেই মোটা হয়, ওজন বেড়ে যায়।