রোজা

রোজা কবে? জানা যাবে আগামীকাল

রোজা কবে? জানা যাবে আগামীকাল

বাংলাদেশে কবে থেকে রোজা শুরু হবে, কোন রাতে সাহরি খেতে হবে, তা জানা যাবে আগামীকাল বুধবার। ওই দিন সন্ধ্যায় বায়তুল মোকাররমে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভায় রমজান মাসের চাঁদ দেখার খবর পর্যালোচনা করা হবে। এরপর রোজা শুরুর তারিখ নির্ধারণ করবে ইসলামিক ফাউন্ডেশন। এ ছাড়া দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে চাঁদ দেখা গেলে সেই তথ্য জানাতে ফোন নম্বরও সরবরাহ করেছে তারা।

পরিপূর্ণ রোজা: কী করবেন, কী বর্জন করবেন?

পরিপূর্ণ রোজা: কী করবেন, কী বর্জন করবেন?

পবিত্র রমজান কোরআন নাজিলের মাস এবং আত্মশুদ্ধির অনন্য সময়। এ মাস রহমত, বরকত, মাগফিরাত ও নাজাতের সওগাত নিয়ে আসে। আল্লাহর কাছে রোজাদারের মর্যাদা অপরিসীম। নবীজি (স.) বলেছেন, ‘যখন রমজান মাস প্রবেশ করে, জান্নাতের দরজাগুলো খুলে দেওয়া হয়, জাহান্নামের দরজাগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং শয়তানদের শৃঙ্খলিত করা হয়।’ (সহিহ বুখারি: ১৮৯৯)

গর্ভবতী নারীর রোজা পালনের শরয়ি বিধান

গর্ভবতী নারীর রোজা পালনের শরয়ি বিধান

পবিত্র রমজানের রোজা সুস্থ ও প্রাপ্তবয়স্ক সব মুসলমানের ওপর ফরজ। তবে বিশেষ শারীরিক পরিস্থিতিতে ইসলাম মা ও শিশুর জীবন সুরক্ষায় এই বিধানে ‘রুখসত’ বা ছাড় দিয়েছে। কোরআনুল কারিমের সুরা আল-বাকারার ১৮৩ ও ১৮৪ নম্বর আয়াতে রোজার ফরজ হওয়া এবং অসুস্থদের জন্য শিথিলতার কথা উল্লেখ রয়েছে।

পাকিস্তানে রোজা শুরু কবে, জানা গেল

পাকিস্তানে রোজা শুরু কবে, জানা গেল

পাকিস্তানে ১৪৪৭ হিজরি সনের পবিত্র রমজান মাস শুরু হওয়ার সম্ভাব্য তারিখ হিসেবে ১৯ ফেব্রুয়ারির পূর্বাভাস দিয়েছে দেশটির মহাকাশ গবেষণা সংস্থা সুপারকো। 

কাজা রোজা ভেঙে ফেললে কী করবেন?

কাজা রোজা ভেঙে ফেললে কী করবেন?

রমজানের রোজা ফরজ। শরীয়ত সমর্থিত ওজর (অপারগতা) ছাড়া ইচ্ছাকৃত রোজা ভঙ্গকারী মৌলিক ফরজ লংঘনকারী ও ইসলামের ভিত্তি বিনষ্টকারীরূপে গণ্য। কোনো ব্যক্তি কারণ ছাড়া রোজা ভাঙলে পরবর্তীতে কাফফারাসহ রোজার কাজার বিধান রয়েছে।

আপনার কি রোজা কাজা আছে? এখনই সময়!

আপনার কি রোজা কাজা আছে? এখনই সময়!

দোরগোড়ায় কড়া নাড়ছে রহমত, মাগফেরাত ও নাজাতের মাস পবিত্র রমজান। রমজানের পূর্ণ বরকত লাভে প্রয়োজন যথাযথ আত্মিক ও শারীরিক প্রস্তুতি। গত রমজানে শারীরিক অসুস্থতা, সফর কিংবা নারীদের ঋতুস্রাবের মতো শরয়ি অপারগতার কারণে যাদের রোজা কাজা হয়েছিল, সেই অনাদায়ী রোজাগুলো আদায়ের জন্য বর্তমান শাবান মাসই হলো শেষ সময়। 

শাবান নফল রোজার আদর্শ মাস

শাবান নফল রোজার আদর্শ মাস

শাবান মাস রমজানের মাহাত্ম্য অর্জনের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করার শ্রেষ্ঠ সময়। এ মাসে মুমিন হৃদয়ে বইতে থাকে রমজানের সুবাস। আমরা অনেক সময় রমজানের অপেক্ষায় থাকি, কিন্তু তার আগের এই বরকতময় মাসটিকে অবহেলায় কাটিয়ে দিই। অথচ রসুল (সা.) এই মাসে পুরোদমে রমজানের প্রস্তুতি নিতেন। বেশি বেশি নফল রোজা রাখতেন। আয়েশা (রা.) বলেন, রসুল (সা.)-কে রমজান ব্যতীত অন্য কোনো মাসে শাবানের মতো এত বেশি রোজা রাখতে দেখিনি। সামান্য কয়েকটা দিন ব্যতীত শাবানের প্রায় পুরো মাসই তিনি নফল রোজা রাখতেন (বুখারি, ১৮৬৮)।

শাবান মাসের শেষ ৫ দিন রোজা রাখার বিধান

শাবান মাসের শেষ ৫ দিন রোজা রাখার বিধান

রমজানের প্রস্তুতি উপলক্ষে শাবান মাসে বেশি বেশি রোজা রাখেন মুসলিমরা। শাবান মাসের পুরো সময় রোজা রাখা গুরুত্বপূর্ণ হলেও এই মাসের শেষ দিনগুলোতে রোজা রাখা নিয়ে কিছু মত পার্থক্য রয়েছে।