রোজা অবস্থায় স্বপ্নদোষ হলে অর্থাৎ ঘুমন্ত অবস্থায় স্বপ্নে যৌন কর্মকাণ্ড করতে দেখে বীর্যপাত হলে অথবা কোনো স্বপ্নের কথা মনে না থাকলেও ঘুমের মধ্যে যদি বীর্যপাত রোজার কোনো ক্ষতি হবে না।
রোজা
রমজান ইবাদতের বসন্ত এবং আল্লাহর সান্নিধ্য ও ভালোবাসা অর্জনের মৌসুম। আর কোনো আমল আল্লাহর দরবারে তখনই পরিপূর্ণ ইবাদত হিসেবে গণ্য হয় যখন তা মহানবী (সা.)-এর নিদের্শনা অনুসারে আদায় করা হয়। তাই রোজাদার ব্যক্তিরও উচিত রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর সুন্নত ও নির্দেশনা মেনে চলা। নিম্নে রোজাদারের প্রতি নবীজি (সা.)-এর ১২টি বিশেষ নির্দেশনা তুলে ধরা হলো।
রমজান মাস সংযম, ত্যাগ ও আত্মশুদ্ধির মাস। এ মাসে একজন মুমিন কেবল মহান আল্লাহর সন্তুষ্টির আশায় সুবহে সাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার ও নানাবিধ কামাচার থেকে বিরত থাকেন।
হবিগঞ্জের বিভিন্ন বাজারে রোজার আগের সপ্তাহে লেবুর হালি ছিল কম-বেশি ২০ টাকা। প্রথম রোজার আগের দিন থেকে হঠাৎ লাফিয়ে বাড়ে দাম।
পর্তুগালের ইতিহাসের অন্যতম সেরা ফুটবলার হলেন ক্রিশ্চিয়নো রোনালাদো। ২০২৩ সালের শুরুতে ইউরোপীয় ক্লাব ছেড়ে সৌদি আরবের ক্লাব আল নাসরে যোগ দেন ফুটবলের এই কিংবদন্তি।
ইসলামের মৌলিক পাঁচটি বিধান আছে। এর একটি রোজা। দ্বিতীয় হিজরিতে মুসলমানদের ওপর রোজা ফরজ হয়। প্রাপ্তবয়স্ক মুসলিম নারী-পুরুষের ওপর রোজা রাখা ফরজ। রোজা হলো সুবহে সাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত নিয়তসহকারে পানাহার, দাম্পত্য মিলন ও রোজাভঙ্গকারী সব কাজ থেকে বিরত থাকা।
পবিত্র রমজানের রোজা শুদ্ধ হওয়ার অন্যতম প্রধান শর্ত হলো ‘নিয়ত’ বা সংকল্প। আসলে কোনো ইবাদতই নিয়ত ছাড়া গ্রহণযোগ্য হয় না। তাই রোজা শুদ্ধ হওয়ার জন্যও নিয়ত থাকতে হবে। অনেক সময় দেখা যায়, রাতে কিংবা সাহরির সময় আলাদাভাবে মুখে নিয়ত করতে ভুলে যান অনেকে।
রোজা ফারসি শব্দ। এর আরবি শব্দ সাওম বা সিয়াম। অর্থ কোনো কাজ থেকে বিরত থাকা। সুবহে সাদিক (রাতের শেষ দিকে পূর্ব দিগন্তের উভয় দিকে ক্ষীণ (দিগন্তের সঙ্গে ভার্টিক্যালি) প্রশস্ত আকারে যে আলো প্রকাশ পায়) থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত সব ধরনের পানাহার ও যাবতীয় যৌনাচারসহ অশ্লীলতা, অপচয়-অপব্যবহার, অন্যায় আচরণ ও অত্যাচার থেকে বিরত থাকার নাম রোজা।
সৌদি আরব ও মধ্যপ্রাচ্যের একদিন পর মালয়েশিয়ার মুসলিমরা সিয়াম সাধনা শুরু করেছেন। সে হিসেবে বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) ছিল এ দেশে এবারের প্রথম রমজান। তাই রমজানের প্রথম দিনটি সবার কেটেছে মহা ব্যস্ততায়।
রোজায় অনেকেই অ্যাসিডিটির সমস্যায় ভুগে থাকেন। বিশেষ করে যারা খাবারের বিষয়ে খুব একটা সচেতন নয়, তাদের বড় অংশকেই এই সমস্যায় ভুগতে দেখা যায়। ইফতারের আয়োজনে ভারী ও মসলাদার খাবার, ডুবো তেলে ভাজা মুখরোচক একাধিক খাবারও এর পেছনে বড় একটা ভূমিকা রাখে।