ক্রমশ বেড়েই চলেছে হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্তের সংখ্যা। রোজ অসংখ্য মানুষ প্রাণ হারাচ্ছেন হার্টজনিত নানা সমস্যায়। সুস্থ থাকতে তাই হার্ট সুস্থ রাখার বিকল্প নেই। পরিচিত কিছু উপসর্গ আমরা নিজের অজান্তেই অবহেলা করি। আর এগুলোই হতে পারে হৃদযন্ত্রের সমস্যার ইঙ্গিত।
হার্ট
অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন আর মানসিক চাপের কারণে বর্তমানে হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেড়েছে। দিনের যেকোনো সময়ই হৃদপিণ্ডজনিত সমস্যা দেখা দিতে পারে।
চিকিৎসা পরিভাষায় 'বাথরুম স্ট্রোক' বলে নির্দিষ্ট কোনো রোগ না থাকলেও বেশিরক্ষেত্রেই দেখা যায় স্ট্রোক (Stroke) বা কার্ডিয়াক অ্যারেস্টের (Cardiac Arrest) মতো ঘটনাগুলো বাথরুমেই হচ্ছে।
ত্বক, চুল ও হার্টের স্বাস্থ্যের জন্য কমলা ভীষণ একটি উপকারী ফল। এতে থাকা ভিটামিন সি, ফাইবার, পটাশিয়াম এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট— এর উপকারিতার মূল কারণ।
হার্ট অ্যাটাক মানে আতঙ্কের নাম। হৃদরোগের কী কী উপসর্গ হয় তা সম্পর্কে ধারণা আছে অনেকেরই। আচমকা বুকে ব্যথা, সারা শরীরে ঘাম হওয়া, চোখের সামনে অন্ধকার দেখা— এগুলো সবই হৃদরোগের উপসর্গ।
আধুনিক, প্রযুক্তি-চালিত বিশ্বে, আমাদের অনেকের বেশিরভাগ কর্মঘণ্টা সময় ডেস্কে বসে কাটাতে হয়। যদিও এই বসে থাকা জীবনধারা আমাদের ক্যারিয়ারের জন্য একটি প্রয়োজনীয়তা হতে পারে, এটি আমাদের হৃদরোগের স্বাস্থ্যের উপর ক্ষতিকারক প্রভাব ফেলতে পারে।
হার্ট অ্যাটাক এবং স্ট্রোক এই দুই সমস্যাকে একই মনে করে আমরা গুলিয়ে ফেলি। উভয় সমস্যাই গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্য ঝুঁকি এবং জরুরি চিকিৎসা প্রয়োজন, কিন্তু এদের উৎপত্তির স্থান ও প্রক্রিয়া ভিন্ন।
শীত এলেই হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা বেড়ে যায়। তাই আগে থেকেই সতর্ক হওয়া উচিত। কারণ, সামান্য কিছু ভুলেই বিপদ নেমে আসতে পারে। শীতে অনেকেই গরম পানি দিয়ে গোসল করেন।
হার্ট সুস্থ রাখতে ভিটামিন ‘ডি’ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। আর রক্তে ভিটামিন ‘ডি’ কম থাকার কারণে হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।
বিশ্ব হার্ট দিবস উপলক্ষে ঢাকার মহাখালী ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় একযোগে ফ্রি হার্ট ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়েছে।