রংপুরে তিস্তাসহ বিভিন্ন নদ-নদীর পানি কমতে শুরু করেছে। তবে পানি নামার সঙ্গে সঙ্গে নদীভাঙনের আশঙ্কা বেড়েছে। গঙ্গাচড়া ও কাউনিয়া উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়নের নদীতীরবর্তী বাসিন্দারা এখন ভাঙন আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন।
- ১৬ বছরের কম বয়সীদের সাড়ে ৭ লাখ অ্যাকাউন্ট বন্ধ করল মেটা
- * * * *
- পাঁচবিবিতে অসহায় ৬০ পরিবারের মাঝে গরু বিতরণ
- * * * *
- ‘ভিনি জুনিয়র আইন’ বাদ দিল লা লিগা
- * * * *
- বিতর্কিত দ্বীপে পুতিনের সফর, রুশ রাষ্ট্রদূতকে তলব জাপানের
- * * * *
- তামিমকে টপকে টেস্টে বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক মোমিনুল
- * * * *
তিস্তা
টানা ভারী বৃষ্টি ও উজানের ঢলে আবারও ফুঁসে উঠেছে তিস্তা নদী। এতে তিস্তার পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ১৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে ।
রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার কোলকোন্দ ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন এলাকায় তিস্তা নদীর সংরক্ষিত ডান তীরে ভাঙন দেখা দিয়েছে। তিস্তা নদীর সংরক্ষিত এই বাঁধের প্রায় ২০ মিটার ব্লক ধসে নদীতে চলে গেছে। এতে করে হুমকির মুখে রয়েছে ইউনিয়ন পরিষদ ভবন, মসজিদ, সড়কসহ বসতবাড়ি।
গাইবান্ধার করতোয়া নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে কমেছে ঘাঘট ও তিস্তা নদীর পানি। এদিকে ব্রহ্মপুত্র নদের পানি অপরিবর্তীত রয়েছে। জেলার সবগুলো নদ-নদীর পানি কখনো বৃদ্ধি পাচ্ছে আবার কখনো কমছে। এতে স্থানীয়দের মাঝে দেখা দিয়েছে বন্যা আতঙ্ক।
সিকিমের নামচি জেলার সমারডুং এলাকায় এনএইচপিসি-র তিস্তা জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের জন্য নির্মীয়মাণ সুড়ঙ্গে বিস্ফোরণের জেরে ধস ও পাহাড় থেকে ছড়িয়ে পড়া মিথেন গ্যাসর প্রভাবে এখনও পর্যন্ত ২০ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে সিকিম প্রশাসন।
উজানের পাহাড়ি ঢল ও টানা ভারী বৃষ্টির কারণে তিস্তা ও ধরলা নদীর পানি দ্রুত বাড়ছে। আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে কয়েকটি পয়েন্টে নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ পানি
গাইবান্ধার ব্রহ্মপুত্র, ঘাঘট ও করতোয়া নদীর পানি বাড়লেও তিস্তায় কমেছে। তবে কোনো নদীর পানি এখনো বিপৎসীমা অতিক্রম করেনি। নদীর পানি ওঠা-নামা করায় চরাঞ্চল ও তীরবর্তী বাসিন্দাদের মধ্যে বন্যা আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।
গাইবান্ধায় ব্রহ্মপুত্র ও ঘাঘট নদের পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। তাবে কমেছে তিস্তা ও করতোয়া নদীর পানি। বৃদ্ধি বা হ্রাস পেলেও এসব নদ-নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করেনি।
উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল এবং টানা বৃষ্টির প্রভাবে তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ৩ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে লালমনিরহাটের নদী তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যার শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
অবিরাম বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে কুড়িগ্রামে তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমারসহ সবকটি নদ-নদীর পানি ফের বাড়তে শুরু করেছে।