প্রতিদিনের ইফতারে ভাজাপোড়া কম খেয়ে বিভিন্ন ফল খাওয়া উত্তম বলে মত দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
পেয়ারা
দাঁতের ব্যথা উপশমে প্রচলিত ধারণায় অনেকে লবঙ্গ কিংবা পেয়ারা পাতা ব্যবহার করেন।
পেয়ারা হলো সবচেয়ে জনপ্রিয় ফলের মধ্যে একটি। টক-মিষ্টি স্বাদের জন্য এটি দিয়ে জুস, জ্যাম, স্মুদি ইত্যাদি তৈরি করা যেতে পারে। সেইসঙ্গে এটি কাঁচাও খাওয়া যায়। পুষ্টিগুণে ভরপুর পেয়ারা একটি সুপারফ্রুট হিসেবে সমাদৃত যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং হজমে সহায়তা করে।
শীতকাল তাপমাত্রার হ্রাস ও সংক্রমণ বৃদ্ধির সময়। এসময় উষ্ণ, আরামদায়ক খাবারের জন্য আকাঙ্ক্ষা বেশি থাকে।
দামে কম, সহজলভ্য আর পুষ্টিতে ভরপুর এমন কোনো ফলের কথা বললে সবার আগে নাম আসে পেয়ারার। কেবল ভিটামিন সি বা ফাইবার নয়, এই ফলটি অ্যান্টি অক্সিডেন্টের ‘পাওয়ার হাউজ’। প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় একটি পেয়ারা রাখলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেড়ে যাবে অনেকটাই।
রাস্তার মোড়ে, ট্রাফিক জ্যামের বিরক্তিতে, কিংবা কাঁচাবাজারে সবজির দোকানে - দরিদ্রের আপেল নামে পরিচিত এই ফলটি আমাদের দেশে সারা বছরই পাওয়া যায়।
পেয়ারা মিষ্টি হলে যতটা সুস্বাদু, না হলে ঠিক তেমনই বিস্বাদ লাগে। অনেক সময় ভালো পেয়ারা বলে বিক্রেতারা ধরিয়ে দিলেও, খেলেই বোঝা যায়—স্বাদ নেই। পেয়ারার মিষ্টত্ব নির্ভর করে তার জাতের ওপর।
পিরোজপুরের নেছারাবাদে আটঘর কুড়িয়ানায় পরিবেশ রক্ষায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে সাউন্ডবক্স জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন। অভিযান চলাকালে পর্যটন এলাকার পরিবেশ বিরূপভাবে প্রভাবিত করছে এমন উচ্চশব্দযুক্ত কয়েকটি সাউন্ডবক্স জব্দ করা হয়।
বর্ষা মৌসুমে পেয়ারা অনেকটাই সহজলভ্য। যারা ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে চান, এই মৌসুমে নিয়মিত পেয়ারা খেতে পারেন। খেতে পারেন পেয়ারার সালাদও।
আমরা প্রায় সবাই পেয়ারা পছন্দ করি – মিষ্টি, সামান্য টকটকে এই ফলটি ভিটামিন সি-তে ভরপুর।