আনারস শুধু রসালো ও সুস্বাদু একটি ফলই নয়, এটি পুষ্টিগুণেও ভরপুর। এতে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন সি, ফাইবার, পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস।
- একটি ভগ্নস্তূপের ওপর দাঁড়িয়ে দেশ গড়ছে সরকার : রিজভী
- * * * *
- কুড়িগ্রামে নিষিদ্ধ পলিথিন জব্দ, ব্যবসায়ীকে জরিমানা
- * * * *
- কোম্পানীগঞ্জে নিখোঁজ কলেজশিক্ষকের মরদেহ উদ্ধার
- * * * *
- বস্ত্র-পাট খাতের আধুনিকায়নে চীনের প্রযুক্তিগত সহযোগিতা কাজে লাগানো হবে : বাণিজ্যমন্ত্রী
- * * * *
- নারায়ণগঞ্জে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী হত্যায় তিনজনের মৃত্যুদণ্ড
- * * * *
শসা
গ্রীষ্মের তীব্র গরমে শরীর সুস্থ রাখতে শসা একটি উপকারী খাদ্য হিসেবে বিবেচিত। ভাত, রুটি বা মুড়ির সঙ্গে কয়েক টুকরো শসা বাঙালির খাদ্যতালিকায় প্রায় অপরিহার্য।
গরমে শরীর ঠাণ্ডা রাখতে অনেকেই ভরসা রাখেন শসার ওপর। তীব্র রোদ হোক বা ভ্যাপসা গরম—একটু শসা খেলেই মেলে স্বস্তি। প্রচুর পানি সমৃদ্ধ এই সবজি শরীরকে হাইড্রেট রাখে, তাই গ্রীষ্মে এটি অনেকের পছন্দের তালিকায় থাকে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শসা খাওয়ার ক্ষেত্রেও কিছু ভুলের কারণে এর পুরো পুষ্টিগুণ শরীরে পৌঁছায় না।
আর সালাদ মানেই শুধু শসা, টমেটো কিংবা পেঁয়াজ কেটে থালায় সাজিয়ে দেওয়া নয়। সালাদ নানা রকমের হয়ে থাকে।
গরমের দিনে ভারী ঝোল-ঝাল নয়, অনেকেই চান হালকা কিন্তু স্বাদে ভরপুর কিছু একটা। এমন সময়ে রান্নাঘরে খুব বেশি সময় না দিয়েও তৈরি করা যায় দারুণ একটি পদ শসা-চিংড়ি।
শসা-লেবুর শরবত হতে পারে সেই সহজ ও স্বাস্থ্যকর সমাধান। শসার প্রাকৃতিক জলীয় অংশ আর লেবুর ভিটামিন সি মিলে এই পানীয় শুধু তৃষ্ণাই মেটায় না, বরং ক্লান্ত শরীরে ফিরিয়ে আনে সতেজ অনুভূতি।
শসা মানেই গরমের খাবার, এমন ধারণা আমাদের অনেকেরই। তাই শীত এলেই ঠান্ডা লাগা, গ্যাস বা বদহজমের আশঙ্কায় শসা খাওয়া বন্ধ করে দেন অনেকে।
শীত এলেই খাবার নিয়ে নানা রকম ভ্রান্ত ধারণা ছড়িয়ে পড়ে। তার মধ্যে অন্যতম প্রচলিত একটি হল-শীতকালে শসা খেলে ঠান্ডা-কাশি হয়।
বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ছিলেন ভোজনরসিক। তিনি শুধু খেতে ভালোবাসতেন তা নয়, রান্না এবং রেসিপি নিয়ে নানান পরীক্ষানিরীক্ষাও করতেন এবং করাতেন।
গরমে ঝটপট প্রশান্তি পেতে চান? তাহলে নিয়মিত শসা খান। গরমের এ সময় শসা শরীর যেমন ঠান্ডা রাখতে পারে তেমনি দ্রুত এনে দেয় সতেজ অনুভূতিও।