আর সালাদ মানেই শুধু শসা, টমেটো কিংবা পেঁয়াজ কেটে থালায় সাজিয়ে দেওয়া নয়। সালাদ নানা রকমের হয়ে থাকে।
শসা
গরমের দিনে ভারী ঝোল-ঝাল নয়, অনেকেই চান হালকা কিন্তু স্বাদে ভরপুর কিছু একটা। এমন সময়ে রান্নাঘরে খুব বেশি সময় না দিয়েও তৈরি করা যায় দারুণ একটি পদ শসা-চিংড়ি।
শসা-লেবুর শরবত হতে পারে সেই সহজ ও স্বাস্থ্যকর সমাধান। শসার প্রাকৃতিক জলীয় অংশ আর লেবুর ভিটামিন সি মিলে এই পানীয় শুধু তৃষ্ণাই মেটায় না, বরং ক্লান্ত শরীরে ফিরিয়ে আনে সতেজ অনুভূতি।
শসা মানেই গরমের খাবার, এমন ধারণা আমাদের অনেকেরই। তাই শীত এলেই ঠান্ডা লাগা, গ্যাস বা বদহজমের আশঙ্কায় শসা খাওয়া বন্ধ করে দেন অনেকে।
শীত এলেই খাবার নিয়ে নানা রকম ভ্রান্ত ধারণা ছড়িয়ে পড়ে। তার মধ্যে অন্যতম প্রচলিত একটি হল-শীতকালে শসা খেলে ঠান্ডা-কাশি হয়।
বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ছিলেন ভোজনরসিক। তিনি শুধু খেতে ভালোবাসতেন তা নয়, রান্না এবং রেসিপি নিয়ে নানান পরীক্ষানিরীক্ষাও করতেন এবং করাতেন।
গরমে ঝটপট প্রশান্তি পেতে চান? তাহলে নিয়মিত শসা খান। গরমের এ সময় শসা শরীর যেমন ঠান্ডা রাখতে পারে তেমনি দ্রুত এনে দেয় সতেজ অনুভূতিও।
গরমকালে শরীর হাইড্রেটেড রাখতে বিশেষজ্ঞরা জলীয় খাবার খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন।
ইফতারে শসা খান অনেকেই। আমাদের শরীর ঠান্ডা রাখতে সহায়তা করে শসা। সবজিটির প্রায় ৯৫ শতাংশই পানি। দিনভর রোজা রেখে শসা খেলে শরীর যেমন ঠান্ডা থাকে, তেমনি পূরণ হয় পানির চাহিদাও।
আমাদের পরিচিত ফল শসা। যা সালাদ হিসেবে বেশি জনপ্রিয়। অনেকেই দ্রুত ওজন কমানোর জন্য প্রায় সারাদিন ধরেই শসা খান। ফল হিসেবে শসা, সালাদে শসা, খাবারে শসা। কিন্তু এর অপকারিতা জানেন?