শসা খাওয়ার সময় এড়িয়ে চলবেন যেসব ভুল

শসা খাওয়ার সময় এড়িয়ে চলবেন যেসব ভুল

ফাইল ফটো

গরমে শরীর ঠাণ্ডা রাখতে অনেকেই ভরসা রাখেন শসার ওপর। তীব্র রোদ হোক বা ভ্যাপসা গরম—একটু শসা খেলেই মেলে স্বস্তি। প্রচুর পানি সমৃদ্ধ এই সবজি শরীরকে হাইড্রেট রাখে, তাই গ্রীষ্মে এটি অনেকের পছন্দের তালিকায় থাকে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শসা খাওয়ার ক্ষেত্রেও কিছু ভুলের কারণে এর পুরো পুষ্টিগুণ শরীরে পৌঁছায় না।

পুষ্টিবিদদের মতে, শসা খাওয়ার আগে খোসা পুরোপুরি ছাড়িয়ে ফেলা ঠিক নয়। অনেকেই মনে করেন, খোসা ছাড়ালে শসা পরিষ্কার হয় বা খেতে ভালো লাগে। কিন্তু আসলে শসার সবচেয়ে পুষ্টিকর অংশগুলোর একটি হলো এর খোসা।

এই খোসায় থাকে অদ্রবণীয় ফাইবার, অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট, ভিটামিন কে, ভিটামিন এ, পটাশিয়াম, সিলিকা ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় খনিজ।

এসব উপাদান হজমে সাহায্য করে, শরীরের কোষকে সুরক্ষা দেয় এবং ত্বকের জন্যও উপকারী। বিশেষ করে ফাইবার হজম প্রক্রিয়া উন্নত করে এবং অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট শরীরের প্রদাহ কমাতে ভূমিকা রাখে।

খোসা ফেলে দিলে শসার এই গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টিগুণ অনেকটাই কমে যায়। তখন এতে মূলত পানি ছাড়া তেমন কিছু থাকে না।

ফলে স্বাস্থ্যকর ভেবে খাওয়া শসা থেকে প্রত্যাশিত উপকার পাওয়া যায় না।

আরেকটি সাধারণ ভুল হলো শসা কেটে দীর্ঘ সময় রেখে দেওয়া। এতে এর জলীয় অংশ কমে যায় এবং সতেজতাও নষ্ট হয়। তাই শসা কেটে সঙ্গে সঙ্গেই খাওয়াই ভালো।

তবে বাজার থেকে কেনা শসার খোসায় কীটনাশকের অবশিষ্টাংশ থাকতে পারে।

এজন্য খাওয়ার আগে ভালোভাবে ধুয়ে নেওয়া জরুরি। যদি খোসা খুব মোটা বা তেঁতো মনে হয়, তখন তা ছাড়িয়ে খাওয়া যেতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা আরও বলেন, শসার ওপর সামান্য লবণ ছিটিয়ে খেলে স্বাদ বাড়ার পাশাপাশি গরমে শরীরের ইলেক্ট্রোলাইটের ভারসাম্য বজায় রাখতেও সাহায্য করে।