থার্টি ফার্স্ট নাইটে নিস্তব্ধ ঢাবি ক্যাম্পাস
সংগৃহীত
নানা বিধিনিষেধের কারণে এবার খ্রিষ্টীয় নববর্ষ বরণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ছিল নিস্তব্ধ।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, ক্যাম্পাসের পাঁচটি প্রবেশমুখে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। একই সঙ্গে প্রক্টরিয়াল টিম ও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন নিরাপত্তা টিম দায়িত্ব পালন করছে। তারা ক্যাম্পাসে বাইরের কোনো ব্যক্তি বা যানবাহন প্রবেশ করতে দিচ্ছেন না।
বুধবার রাত ১০টায় মেয়েদের হলগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়। রাতের বেলায় বাইরে তেমন কাউকে দেখা যায়নি।
পুরোনো বছরকে বিদায় এবং নতুন বছরকে বরণ করে নিতে প্রতি বছর থার্টি ফার্স্ট নাইটে শিক্ষার্থীরা রাজু ভাস্কর্যের সামনে জড়ো হলেও এবার সেই উপস্থিতি ছিল খুবই কম।
টিএসসিতেও পুলিশের অবস্থান দেখা গেছে।
বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে তিন দিনের শোক ঘোষণা করায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এ ধরনের ব্যবস্থা নিয়েছে।
বিজয় একাত্তর হল ছাত্র সংসদের জিএস আশিক বিল্লাহ বলেন, আমাদের আজ কোনো আয়োজন নেই।
বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের ভিপি তাসনিম আক্তার আলিফ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় শোক দিবস পালন করায় আমাদের কোনো আয়োজন নেই।
খালেদা জিয়া ও ইনকিলাব মঞ্চের নেতা ওসমান হাদির মৃত্যুর কথা তুলে ধরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) এক বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে, এই শোকাবহ সময়ে তাদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানানো এবং জাতীয় অনুভূতির প্রতি সম্মান প্রদর্শন আমাদের সকলের নৈতিক দায়িত্ব।
আমরা দেখেছি, প্রতিবছরই ফানুশের আগুন থেকে বাড়িঘর-দোকানপাটে আগুন লেগে বিপুল পরিমাণ সম্পদ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। আতশবাজির বিকট শব্দে অসংখ্য পাখি, এমনকি মানবসন্তানের মৃত্যুর ঘটনাও ঘটে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সব শিক্ষার্থী, শিক্ষক-কর্মচারীসহ দেশের সকলের প্রতি আতশবাজি ফুটানো, ফানুশ ওড়ানো ইত্যাদি আয়োজন থেকে বিরত থাকতে আহ্বান জানাচ্ছি।