আল্লাহ তাআলা পরম দয়ালু ও ক্ষমাশীল। তবে বান্দার কিছু গুরুতর গুনাহ যেমন শিরক, মা-বাবাকে কষ্ট দেওয়া, মুমিনদের হত্যা করা, দোয়া না করা ইত্যাদির কারণে তিনি ক্রোধান্বিত হন। আল্লাহর রহমত লাভ ও তাঁর ক্রোধ থেকে বাঁচতে কিছু বিশেষ আমল কোরআন-হাদিসে বর্ণিত হয়েছে।
আল্লাহ
কখনো কি ভেবেছেন, এমন কোনো স্থান আছে যেখানে পা রাখলেই স্বয়ং আল্লাহ আপনার জন্য জান্নাতে বিশেষ আপ্যায়নের ব্যবস্থা করেন? ইসলাম এমনই এক স্থানের সন্ধান দেয়, যার প্রতিটি যাত্রা মহান প্রতিদানের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
পৃথিবীর সম্পদ সসীম কিন্তু মানুষের চাহিদা অসীম। চাহিদা পূরণের সুযোগও এখানে সীমিত। এখানে সব চাহিদা পূরণ করা সম্ভব নয়। অনেক কিছুই এখানে অপূরণীয় থেকে যায়।
আল্লাহভীতি বা তাকওয়া শুধু পরকালের মুক্তির চাবিকাঠি নয়, দুনিয়াতেও সম্মান, শান্তি ও মর্যাদা অর্জনের উপায়। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘নিশ্চয়ই তোমাদের মধ্যে সে ব্যক্তিই আল্লাহর কাছে বেশি সম্মানী, যে আল্লাহকে সবচেয়ে বেশি ভয় করে।’ (সুরা হুজরাত: ১৩)
আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের ভালোবাসাকে সব কিছু, এমনকি নিজের জীবনের ওপর প্রাধান্য দেওয়া ঈমানের দাবি।
মহান আল্লাহ বলেন, ‘অতএব, তোমার পালনকর্তার শপথ! তারা কখনো (পূর্ণ) মুমিন হতে পারবে না, যতক্ষণ না তারা তাদের বিবাদীয় বিষয়ে তোমাকে ফয়সালা দানকারী হিসেবে মেনে নেবে। অতঃপর তোমার দেওয়া ফয়সালার ব্যাপারে তাদের অন্তরে কোনো ধরনের দ্বিধা-সংকোচ না রাখবে এবং সর্বান্তঃকরণে তা মেনে নেবে।’ (সুরা : নিসা, আয়াত : ৬৫)
ফেরেশতারা আল্লাহ তাআলার সম্মানিত ও অনুগত সৃষ্টি। তাঁর মহিমা, পরাক্রম ও সীমাহীন ক্ষমতার প্রত্যক্ষ সাক্ষী হওয়ায় তাদের হৃদয়ে এক গভীর ভয় ও শ্রদ্ধা বাস করে। এই ভয় কেবল শাস্তির আশঙ্কা নয়, বরং আল্লাহর মহানত্বের প্রতি এক অগাধ ভালোবাসা ও আত্মসমর্পণের বহিঃপ্রকাশ।
মানবসভ্যতার ইতিহাসে হযরত ইবরাহীম আলাইহিস সালাম এমন এক ব্যক্তিত্ব যিনি একাই গোটা যুগের চিন্তাধারাকে পাল্টে দিয়েছিলেন। তিনি ছিলেন তাওহীদের প্রতীক, শিরকের অন্ধকারে আলোর দিশারি। কিন্তু তাঁর নিজ পিতা—আযর—ছিলেন মূর্তি নির্মাতা ও উপাসক। ইবরাহীম (আঃ) তাঁকে বারবার সত্যের পথে আহ্বান করেছেন, কিন্তু পিতা শিরকেই অনড় ছিলেন।
যথাযথভাবে নামাজ আদায়, যাকাত প্রদান এবং আল্লাহর রাসুল (সা.)-এর আনুগত্য—এই তিনটি আমলের মাধ্যমে আল্লাহর রহমত লাভ হয়।
আল্লাহর খাঁটি বান্দা হতে চাইলে গোনাহমুক্ত জীবন গড়ে তুলতে হবে। গোনাহ অনেক রয়েছে। এরমধ্যে মারাত্মক দুটি গোনাহ হলো- সুদ এবং ঘুষ।
যাবতীয় সম্মান ও মর্যাদার মালিক মহান আল্লাহ। সম্মান হচ্ছে মানবজীবনের এক মূল্যবান অলংকার, যা একমাত্র আল্লাহর কাছ থেকে আসে। তিনিই যাবতীয় সম্মান ও মর্যাদা প্রদানের মালিক। তিনি যাকে ইচ্ছা সম্মানিত করেন এবং যাকে ইচ্ছা লাঞ্ছিত করেন।