রাশিয়া দেড় বছরের বেশি সময় ধরে সামরিক অভিযান চালাচ্ছে ইউক্রেনে। দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও দেশটিতে রুশ আগ্রাসন বন্ধের কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।
- ‘ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বৈঠকের পরিকল্পনা নেই ইরানের’
- * * * *
- হরমুজে ‘বন্ধুপ্রতিম’ দেশগুলোর কাছ থেকে টোল নেবে না ইরান
- * * * *
- নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি অ্যান্টি-শিপ ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালাল পাকিস্তান
- * * * *
- নিমকাঠি দিয়ে দাঁত মাজলে কী উপকার?
- * * * *
- চোটে মৌসুম শেষ এস্তেভাওয়ের, শঙ্কায় বিশ্বকাপ
- * * * *
ইউক্রেনে
রাশিয়া অধিকৃত দোনেৎস্ক অঞ্চলে কিয়েভ বাহিনীর হামলায় ছয় বেসামরিক লোক নিহত হয়েছেন। এতে আহত হয়েছেন আরও ৯ জন।
রাশিয়ার দখলে থাকা ক্রিমিয়ায় অত্যাধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে দাবি ইউক্রেনের।
রাশিয়া দাবি করেছে যে, তাদের বাহিনী সীমান্ত অঞ্চল ব্রায়ানস্ক এবং বেলগোরোডে বেশ কিছু ইউক্রেনীয় ড্রোন ধ্বংস করেছে।
ক্রিমিয়া উপদ্বীপে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইউক্রেন। সেখানকার সেভাস্তপোল শহরের কয়েকটি বন্দর-স্থাপনা লক্ষ্য করে এই ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ইউক্রেনের সামরিক বাহিনী।
রাশিয়ার দখলকৃত ভূখণ্ড পুনরুদ্ধার করতে পালটা হামলা শুরু করেছে ইউক্রেন। জুন মাস থেকে শুরু হওয়া এই আক্রমণে অনেক দূর এগিয়েছে ইউক্রেন।
ইউক্রেনের কোস্তিয়ান্তিনিভকা শহরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত ১৬ জন নিহত হয়েছেন। প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এই হামলার দায় চাপিয়েছেন রাশিয়ার ওপর।
ইউক্রেনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ওলেকসি রেজনিকভকে বরখাস্ত করার জন্য পার্লামেন্টের কাছে অনুরোধ করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ভোলোদিমির জেলেনস্কি। তার জায়গায় ইউক্রেনের প্রধান বেসরকারিকরণ তহবিলের প্রধান রুস্তেম উমেরভকে নিয়োগ করার সুপারিশও তিনি করেছেন।
রাশিয়ার ব্যাটলগ্রুপ ওয়েস্টের একটি সু-৩৪ যুদ্ধবিমান ক্রু কুপিয়ানস্ক এলাকায় ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনীর ঘনীভূত জনশক্তির বিরুদ্ধে দুটি বিমান হামলা চালিয়েছে।
ইউক্রেনের দোনেৎস্কে ও খেরসনে রুশ বাহিনী হামলা চালিয়েছে। এতে অন্তত ছয়জন বেসামারিক লোক নিহত হয়েছেন। এছাড়া আহত হয়েছেন আরও আটজন।