ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভের বিভিন্ন অংশে গোলাবর্ষণের বিকট শব্দ শোনা গেছে। এ সময় কিয়েভের অনেক স্থানে আগুন জ্বলতে দেখা যায়। শনিবার সকালে সিএনএন সংবাদাতারা জানিয়েছেন, তারা বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শুনেছেন।
- মাদ্রাসা শিক্ষকদের বদলি আবেদনের গুগল ফরম পূরণের সময় বাড়ল
- * * * *
- গাজীপুরে শ্রমিকবাহী বাস উল্টে আহত ১৫
- * * * *
- চ্যাম্পিয়নস লিগের আগে বড় সুখবর পেল রিয়াল মাদ্রিদ
- * * * *
- অ্যাক্রেডিটেশনের জন্য বিএসিতে ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটির ৭ প্রোগ্রামের আবেদন
- * * * *
- রাজধানীতে ২৪ ঘণ্টায় পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ৫১৪
- * * * *
কিয়েভ
রাজধানী কিয়েভের ওপর রাশিয়া সর্বাত্মক হামলা চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে দাবি করেছেন ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা কর্মকর্তারা।
রাশিয়া ও ইউক্রেনের প্রতিনিধিদল সোমবার তৃতীয় দফায় বৈঠকে বসতে যাচ্ছে। ইউক্রেনে রক্তাক্ত সংঘর্ষ অবসানের লক্ষ্যে এর আগে বেলারুশে উভয়পক্ষ আরো দুদুফা বৈঠক করেছে।ইউক্রেনের আলোচক ডেভিড আরাখামিয়া শনিবার এ কথা জানান।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, তিনি দেশ ছেড়ে পালাননি, রাজধানী কিয়েভেই অবস্থান করছেন।শুক্রবার ইনস্টাগ্রামে প্রকাশিত নিজের অফিসে ধারণ করা এক ভিডিও বার্তায় এই কথা বলেন তিনি।
ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভের দিকে ধীরে ধীরে অগ্রসর হচ্ছে রাশিয়ার সাঁজোয়া যানের বহর। বৃহস্পতিবার ব্রিটেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানায়।
ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভের উপকণ্ঠে ৪০ মাইল দীর্ঘ রুশ সামরিক বহরের দেখা মিলেছে। ম্যাক্সার টেকনোলজিস নামের একটি কোম্পানি জানায়, আগে মনে হয়েছিল, বহরটি ১৭ মাইল লম্বা। কিন্তু সর্বশেষ স্যাটেলাইট ছবি দেখে বোঝা যাচ্ছে, বহরটি এর চেয়ে অনেক বড়।
পঞ্চম দিনে পা দিল রাশিয়া-ইউক্রেনের যুদ্ধ । কিন্তু এখনও রাশিয়ার দুর্জেয় ঘাঁটি কিয়েভ । ইউক্রেনের সেনা কড়া চ্যালেঞ্জ ছুঁড়েছে পুতিন বাহিনীকে।
ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভের মেয়র বলেছেন, তার শহরে কোনো রুশ সেনা নেই। কিয়েভের মেয়র ভিতালি ক্লিৎস্কো বলেন ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা বাহিনী অন্তর্ঘাতীদের চিহ্নিত করে নির্মূল করছে।
ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভের সামরিক ঘাঁটিতে রুশ সৈন্যরা হামলা চালিয়েছে বলে ইউক্রেন দাবি করেছে। এছাড়া কিয়েভে গোলা বিস্ফোরণের খবরও পাওয়া গেছে।
ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভের কেন্দ্রস্থলে শুক্রবার সকালে দু’টি বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। পশ্চিমা সমর্থিত রাশিয়ার প্রতিবেশি এ দেশে মস্কোর সৈন্যরা আগ্রাসন শুরু করার এক দিন পর এ সব শব্দ শোনা গেল। এএফপি’র এক সাংবাদিক এ কথা জানিয়েছেন