স্বাস্থ্যকর উপায়ে মিষ্টি খেতে চাইলে খেজুর খেতে পারেন। কারণ এটি খেতে মিষ্টি স্বাদের ঠিকই, কিন্তু এতে ক্যালোরি থাকে কম। খেজুর নামের এই পুষ্টিকর ফল প্রয়োজনীয় পুষ্টিতে সমৃদ্ধ যা অসংখ্য স্বাস্থ্য উপকারিতা নিয়ে আসে।
খেজুর
পুষ্টিগুণে ভরপুর একটি ফল খেজুর। মরুর দেশের ফলটি তাই বর্তমানে বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয়। পুষ্টিবিদদের মতে, সকালে খেজুর খাওয়া শরীরের জন্য অনেক উপকারি। কিন্তু প্রশ্ন হলো কোন খেজুর বেশি উপকারি?
পেট ভরানোর জন্য হালকা খাবার হিসেবে শুকনো ফল বেশ কার্যকর। এর মধ্যে খেজুর এবং ডুমুর অন্যতম। উভয়েই পুষ্টিগুণে ভরপুর।
জীবনে কোনোদিন মাথাব্যথা হয়নি এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া যাবে না। অনেকেই প্রায়ই মাথাব্যথার যন্ত্রণায় ভুগে থাকেন।
খেজুরকে বলা হয় প্রাকৃতিক মিষ্টি। এর সুস্বাদু স্বাদের পাশাপাশি, খেজুর প্রয়োজনীয় ভিটামিন এবং খনিজ পদার্থে ভরপুর যা একাধিক স্বাস্থ্য উপকারিতা দেয়। তবে অনেকে মনে করে যে খেজুর শীতের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত, তাদের ধারণা এটি তাপ উৎপন্ন করে এবং শরীরকে উষ্ণ করে।
রোজায় দীর্ঘসময় খাবার বিরতি রাখতে হয়। এ সময় শরীর পুষ্টির অভাবে অনেকটাই ক্লান্ত থাকে। কাজের চাপে অফিসে কিংবা বাসায় ইফতার করেন অনেকেই।
রমজানে ইফতারি নিয়ে আমাদের আয়োজনের শেষ নেই। ইফতারে থাকে বাহারি সব পানীয় ও খাবার।
আবহাওয়া পরিবর্তনের এই সময়ে আপনাকে খাবারের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি সচেতন হতে হবে। কারণ ভেতর থেকে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করা গুরুত্বপূর্ণ। পুষ্টির শক্তি হিসেবে পরিচিত খেজুর এই মৌসুমি অসুস্থতা মোকাবিলায় একটি উপকারী খাবার হতে পারে।
সামনে আসছে রমজান। এই মাসে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা রোজা রেখে থাকেন। ইফতারে অন্যতম একটি খাবার হচ্ছে খেজুর। এ ছাড়া সারা বছরও এই ফল পাওয়া যায়।
দরজায় কড়া নাড়ছে পবিত্র মাহে রমজান। এরইমধ্যে শুরু হয়েছে রমজানের বিভিন্ন প্রস্তুতি। রোজাকেন্দ্রীক নিত্যপণ্যগুলো কিনতে বাজারে ভিড় করছেন ক্রেতারা। তবে বাজার করতে গিয়ে আগের কয়েক বছরের রমজানের তুলনায় কিছুটা উল্টোচিত্র দেখছেন তারা।