শীতকালে ভাইরাস সংক্রমণের কারণে ঠান্ডা, কাশি, জ্বর, গলাব্যথা ইত্যাদি হয়ে থাকে। এ ধরনের সমস্যায় শীতের সকালে কুসুম গরম পানি পান করতে পারেন। এতে স্বস্তি মিলবে। অতিরিক্ত ঠান্ডায় শরীরের তাপমাত্রা কমে হাইপোথার্মিয়াও হতে পারে।
গরম
শীতের হিমেল হাওয়ার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ঘরে ঘরে এখন সর্দি-কাশি আর জ্বরের প্রকোপ। এই সময় নিজেকে সুস্থ রাখতে কেবল গরম কাপড় পরলেই হবে না, বরং ভেতর থেকে শরীরকে উষ্ণ ও রোগমুক্ত রাখা জরুরি। বিশেষ করে সকালের খাবারে যদি সঠিক পুষ্টি থাকে, তবে তা সারা দিনের কাজের শক্তি জোগানোর পাশাপাশি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকেও শক্তিশালী করে।
অনেক মুসলমানের মধ্যে একটি ধারণা প্রচলিত আছে যে, ঠান্ডা পানি দিয়ে অজু করলে বেশি সওয়াব পাওয়া যায়, আর গরম পানি ব্যবহার করলে সেই সওয়াব কমে যায়। বিশেষ করে শীতকালে এই প্রশ্নটি বেশি শোনা যায়।
শীতকালে ঠান্ডা খাবার খেতে কারোই ভালো লাগে না। কিন্তু অফিস বা স্কুলে গরম খাবার নিলেই তা তাড়াতাড়ি ঠান্ডা হয়ে যায়।
সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর হালকা গরম পানি পান করা স্বাস্থ্য রক্ষার একটি প্রাচীন ও অত্যন্ত কার্যকর অভ্যাস।
সকালে ঘুম থেকে ওঠে খালি পেটে এক গ্লাস গরম পানির উষ্ণতা শরীরের ব্যথা স্থানে রক্ত সঞ্চালন বাড়িয়ে দেয়। ফলে সেখানে ব্যথা কমাতে এবং সেই স্থান ঠিক হতে সাহায্য করে। এছাড়া, হাড়ের গাঁটে ব্যথা কমাতেও গরম পানি ব্যবহার হয়।
শীত পড়লেই মন বার বার চা-কফি চায়। গরম কফিতে চুমুক দেওয়ার তৃপ্তিই আলাদা। তবে সেই অতৃপ্তি হয়ে উঠতে দেরি হয় না, পেটফাঁপা, কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা শুরু হল।
বৃষ্টিহীন ঢাকায় আজও তীব্র গরম অনুভূত হতে পারে। সকাল থেকে আকাশে হালকা মেঘের উপস্থিতি থাকলেও আবহাওয়া শুষ্ক থাকবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
বৃষ্টি কমে যাওয়ায় কয়েকদিন ধরে সারা দেশে বাড়ছে গরম। তবে সপ্তাহের শেষে আবহাওয়ার পরিবর্তন আসতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। বঙ্গোপসাগরে একটি লঘুচাপ সৃষ্টির আভাস মিলেছে, যা নিম্নচাপে পরিণত হলে তাপমাত্রা কমে গিয়ে গরমের দাপট কমতে পারে।
সারাদিন মারাত্মক খাটুনি হয়েছে শরীরের। ধকল গেছে মনের ও শরীরের। এমন যদি রোজকার রুটিন হয় তাহলে ঘুমানোর আগে ছোট একটি কাজ করুন। একটি বৌল বা বালতিতে গরম পানি নিয়ে তাতে পা ডুবিয়ে বসে থাকুন। এতে পায়ের ব্যথা যেমন কমবে, তেমনি শরীরে মিলবে স্বস্তি।