গ্রীষ্মকালে শরীর সতেজ ও সুস্থ রাখতে যেসব ফল উপকারী, তার মধ্যে কাঁঠাল অন্যতম। মিষ্টি স্বাদের এ ফলটি কেবল স্বাদেই নয়, পুষ্টিগুণেও ভরপুর।
গরম
ঈদের ছুটি শেষে কর্মব্যস্ত নগরে ফিরতে শুরু করেছে মানুষজন। দাফতরিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে, খুলতে শুরু করেছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানও। জ্যৈষ্ঠ মাসের মাঝামাঝি, রোদ্রের প্রখরতা প্রচণ্ড। মাথার ওপর সূর্য যেন আক্ষরিক অর্থেই আগুন ঢালছে। পিচঢালা পথ দিয়ে হাঁটার সময় মনে হয়, চারপাশের বাতাসও যেন গনগনে চুলার আঁচের মতো গায়ে এসে লাগছে।
গরমে পুড়ছে শহর-বন্দর-গ্রাম। ভোরের আলো ফুটতেই তাপমাত্রা ভোগাচ্ছে সবাইকে। বেলা যত বাড়ছে, তত বৃদ্ধি পাচ্ছে অস্বস্তি। এই গরমে বেহাল দশা হচ্ছে শরীরের। দেখা দিচ্ছে একাধিক স্বাস্থ্য জটিলতা। দাবদাহের কারণে অনেকের বমির সমস্যা দেখা দিচ্ছে।
গরমের মৌসুমে পাকা আম দিয়ে তৈরি বিভিন্ন মজাদার পদ সবাই খুব পছন্দ করেন। এর মধ্যে আমের ফালুদা একটি জনপ্রিয় ডেজার্ট, যা দেখলেই জিভে পানি চলে আসে।
গ্রীষ্মকাল এলেই বাজারে রসালো ও সুস্বাদু তালের শাঁসের দেখা মেলে। কচি তাল ভেঙে বের করা স্বচ্ছ, নরম এই শাঁস শুধু স্বাদের জন্যই নয়, পুষ্টিগুণের কারণেও বেশ জনপ্রিয়।
এই গরমে এক গ্লাস আইস টি শরীরকে ঠান্ডা ও সতেজ রাখে। শুধু পিপাসা মেটানোই নয়, আইস টি শরীরকে ভেতর থেকে রিফ্রেশ করে, ক্লান্তি কমায় এবং মনকেও হালকা করে তোলে।
রাজধানীতে অন্তত চার দিন ধরে ভ্যাপসা গরমের পর স্বস্তির বৃষ্টি হয়েছে। শুক্রবার দুপুর ১২ টার পর রাজধানীর উত্তরা, কুড়িল, বারিধার, গুলশান, তেজগাঁওসহ বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি শুরু হয়।
গরমের দিনে অনেকেই ঠান্ডা ও মিষ্টি কিছু খেতে পছন্দ করে। আর পায়েস তো এমনিতেই সবার প্রিয় মিষ্টান্ন। সেই চিরচেনা পায়েস যদি হয় লিচু দিয়ে তৈরি, তাহলে স্বাদ আর সতেজতায় যেন একেবারে নতুন মাত্রা যোগ করে।
গরমে ও বৃষ্টিতে পানিদূষণের ঝুঁকি বাড়ে, পানিবাহিত রোগজীবাণুর সংক্রমণও বাড়ে। গরমে পিপাসা পায় বলে আমরা প্রায়ই বাইরের পানীয় বা খাবার খাই। তা ছাড়া গরমে দ্রুত খাবারে পচন ধরে।
মাছে ভাতে বাঙালি, এই কথাটির মধ্যেই লুকিয়ে আছে আমাদের খাদ্যাভ্যাসের পরিচয়। প্রতিদিন না হলেও অন্তত এক বেলা মাছ খাওয়া অনেকের কাছেই স্বাভাবিক ব্যাপার।