ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ‘শক্তিশালী’ হামলার নির্দেশ দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু।
গাজায়
দীর্ঘ দুই বছর পর গাজা যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে জারি করা জরুরি অবস্থা প্রত্যাহার করে নিলো ইসরায়েল। অন্যদিকে, মিশর মানবিক কারণে গাজায় পাঠাচ্ছে ভারী উদ্ধার সরঞ্জাম।
ইসরায়েলি অবরোধে স্থবির হয়ে আছে ফিলিস্তিনের গাজার পুনর্গঠনকাজ। ধ্বংসস্তূপে চাপা পড়ে আছে হাজারো মানুষ, আর চারদিকে ছড়িয়ে আছে বিস্ফোরিত না হওয়া সব বোমা।
গাজায় শান্তিরক্ষী পাঠাতে মালয়েশিয়া প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম। ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসি) সদস্যদসহ অন্যান্য দেশের সঙ্গে গাজায় এই শান্তিরক্ষী মিশনে যোগ দিতে প্রস্তুত কুয়ালালামপুর।
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তি বাস্তবায়নে ভূমিকার জন্য কাতারের প্রশংসা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
যুক্তরাষ্ট্র প্রতিবছর ৩.৩ বিলিয়ন ডলার সামরিক অনুদান নিশ্চিত করছে এবং ২০২৮ সাল পর্যন্ত ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষার জন্য প্রতিবছর অতিরিক্ত ৫০০ মিলিয়ন ডলারের নিশ্চয়তা দিয়েছে
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলেছে মধ্যস্থতাকারী দেশ কাতার।
গাজায় যুদ্ধবিরতি চললেও থেমে নেই ইসরাইলি হামলা। গত শুক্রবার (১০ অক্টোবর) থেকে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পরও দখদলদার বাহিনীর হামলায় অন্তত ৯৭ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজায় ইসরাইলি হামলায় একই পরিবারের ১১ সদস্য নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে সাতটি শিশু ও তিনজন নারী।
যুদ্ধবিরতি উপেক্ষা করে গাজায় আরও ৯ ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে ইসরাইলি বাহিনী। যুদ্ধবিরতির মধ্যেই মঙ্গলবার ইসরাইলি বাহিনী ফিলিস্তিনিদের লক্ষ্য করে গুলি চালায়।