গাজায় যুদ্ধবিরতি চললেও থেমে নেই ইসরাইলি হামলা। গত শুক্রবার (১০ অক্টোবর) থেকে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পরও দখদলদার বাহিনীর হামলায় অন্তত ৯৭ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।
গাজায়
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজায় ইসরাইলি হামলায় একই পরিবারের ১১ সদস্য নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে সাতটি শিশু ও তিনজন নারী।
যুদ্ধবিরতি উপেক্ষা করে গাজায় আরও ৯ ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে ইসরাইলি বাহিনী। যুদ্ধবিরতির মধ্যেই মঙ্গলবার ইসরাইলি বাহিনী ফিলিস্তিনিদের লক্ষ্য করে গুলি চালায়।
শিগগিরই স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেবে ইতালি। দেশটির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি এই ঘোষণা দিয়েছেন। সোমবার লোহিত সাগরের তীরবর্তী মিসরীয় পর্যটন শহর শারম
গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তির আওতায় ৩ হাজার ৭০০ ফিলিস্তিনি কারাবন্দিকে মুক্তি দিয়েছে ইসরাইল।
ফিলিস্তিনের গাজা শহরে হামাসের নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে স্থানীয় দুঘমুশ পরিবারের সশস্ত্র সদস্যদের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষ হয়েছে। এতে কমপক্ষে ২৭ জন নিহত হয়েছে। দক্ষিণ গাজা সিটিতে জর্ডানিয়ান হাসপাতালের কাছে হামাস যোদ্ধাদের সঙ্গে ওই অস্ত্রধারীদের গুলিবিনিময় করে।
ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর হওয়ার পর গাজা উপত্যকায় উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মানবিক ত্রাণ সহায়তা প্রবেশ করেছে।
গাজায় যুদ্ধবিরতি শুক্রবার কার্যকর হওয়ার পর হাজার হাজার ফিলিস্তিনি উত্তর গাজায় ফিরে আসতে শুরু করেছেন। ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে ‘যুদ্ধের অবসান’ এবং বন্দি বিনিময়ের চুক্তি অনুমোদনের পর এই যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়। খবর মিডল ইস্ট আইয়ের।
গাজায় স্থিতিশীলতার জন্য একটি যৌথ টাস্ক ফোর্সের অংশ হিসেবে ২০০ জন সেনা মোতায়েন করবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। তবে কোনো মার্কিন সেনা গাজার মাটিতে অবস্থান করবে না। বৃহস্পতিবার দুইজন সিনিয়র মার্কিন কর্মকর্তা সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন। খবর রয়টার্সের।
গাজায় ইসরায়েলি যুদ্ধের সবচেয়ে ভয়াবহ শিকার হয়েছে নারী ও শিশুরা। যুদ্ধের দুই বছরে ইসরায়েলি বর্বরতায় লাখ লাখ শিশু দুঃসহ জীবনযাপন করছে। যাদের মধ্যে অন্তত ৬৪ হাজার শিশু নিহত বা পঙ্গু হয়ে গেছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের শিশু বিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফ।