বর্ষা মৌসুমের শুরুতেই আবারও উদ্বেগজনকভাবে বাড়তে শুরু করেছে ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত রোগী। একসময় ঢাকাকেন্দ্রিক রোগ হিসেবে পরিচিত হলেও এখন দেশের বিভিন্ন জেলা নতুন করে সংক্রমণের হটস্পটে পরিণত হচ্ছে। ঢাকার বাইরে ১৪ জেলায় বাড়ছে
ডেঙ্গু
বিশ্বজুড়ে গত কয়েক দশকে ডেঙ্গুর সংক্রমণ উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে। ২০২৪ সালে রোগটি ইতিহাসের সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছে বলে জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।
জুলাই-আগস্ট মাসে ডেঙ্গুর ভয়াবহতা বাড়তে পারে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তবে তা নিয়ন্ত্রণে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তর পর্যাপ্ত প্রস্তুতি রেখেছে বলেও জানান তিনি।
ডেঙ্গু প্রতিরোধ, জলাবদ্ধতা নিরসন ও নগরীকে পরিচ্ছন্ন রাখতে প্রতি মাসের প্রথম শনিবার ‘ক্লিনিং ডে’ হিসেবে পালন করা হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সালাম।
ঢাকায় ডেঙ্গুর প্রকোপ ও এডিস মশার বিস্তার রোধে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) একটি জরুরি সচেতনতামূলক বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে কারও মৃত্যু হয়নি। তবে একই সময়ে ১৭২ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
চলতি বছরে নগরীতে এখন পর্যন্ত ১৭২ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হলেও কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রামের সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।
‘প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধই উত্তম’—এই স্লোগানকে সামনে রেখে টাঙ্গাইলের বাসাইল পৌরসভায় ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে বিশেষ সচেতনতামূলক র্যালি ও সাপ্তাহিক পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় এক জনের মৃত্যু হয়েছে, একই সময়ে ১৯৮ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
চোখ রাঙাতে শুরু করেছে ডেঙ্গু। চলতি মাসেই ডেঙ্গুতে মৃত্যু হয়েছে ৫ জনের আর হাসপাতালে ভর্তি প্রায় দুই হাজার।