জিওগ্রাফিকাল আইডেনটিফিকেশন (জিআই) বা ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্যের স্বীকৃতি পেল ভোলার ২০০ বছরের ঐতিহ্যবাহী খাবার মহিষের দুধের কাঁচা টক দধি ‘মইষা দই’।
দই
সবসময় খাওয়া হয় ডিমের ঝোল বা ভুনা। স্বাদে পরিবর্তন নিয়ে আসতে দই দিয়ে দারুণ মজাদার ডিম রান্না করে ফেলতে পারেন।
স্বাস্থ্য সচেতনদের কাছে চিয়া সিড বেশ জনপ্রিয় একটি নাম। হার্ভার্ড মেডিক্যাল স্কুলের একটি রিপোর্ট বলছে, প্রতিদিন ২৮ গ্রাম অথবা ২ থেকে ৩ টেবিল চামচ চিয়া সিড খেলে সুস্থ থাকতে এটি নানাভাবে আপনাকে সাহায্য করবে।
সেহরিতে কী খাবেন, কী রান্না করবেন তা নিয়ে পড়তে হয় মহা ঝামেলায়। প্রতিদিন মাছ কিংবা মাংস খেতেও ভালো লাগে না।
টক দই একটি দুগ্ধজাত পণ্য যা ল্যাকটোব্যাসিলাস বুলগারিকাস এবং স্ট্রেপ্টোকক্কাস থার্মোফিলাসের মতো উপকারী ব্যাকটেরিয়া দিয়ে দুধকে গাঁজন করে তৈরি করা হয়।
ভোলা জেলার বিভিন্ন চরাঞ্চলের থেকে মহিষের দুধ উৎপাদন ও সংরক্ষণ করে কাঁচা দই জিওগ্রাফিক্যাল আইডেন্টিফিকেশন (জিআই) পণ্য হিসেবে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেয়েছে।
আমাদের সবার প্রিয় টক দই। দারুণ জনপ্রিয় এ টক দই আমরা কমবেশি সবাই খাই। বিশেষ করে নারীরা ওজন কমাতে টক দই খেয়ে থাকেন।
দই খেতে কে না পছন্দ করেন! আর তা যদি হয় অরেঞ্জ ফ্লেভারের, তাহলে তো কথায় নেই।
বাজারে এখন পটল বেশ সহজলভ্য। এটি স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারী। পটলে কোনো ক্যালোরি নেই।
গরমে পেট ঠান্ডা রাখতে অনেকেই দই বা লাচ্ছি খান। পেট ঠান্ডা রাখতে ও খাবার হজম করতে দই খুবই উপকারী, এ বিষয়ে কমবেশি সবাই জানেন।