বগুড়ায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে পচা ও বাসি দই সংরক্ষণ এবং বিক্রির অভিযোগে 'শেরপুর দই ঘর' নামের একটি দইয়ের শো-রুমকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
দই
গ্রীষ্মকালে দই ভাত একটি পরিচিত আরামদায়ক খাবার, যা শরীর ও মন উভয়কেই প্রশান্তি দেয়।
একই রকম রান্নার স্বাদে যখন প্রতিদিনের খাবার হয়ে ওঠে একঘেয়ে, তখন দরকার একটু ভিন্নতার ছোঁয়া।
গরমে পেট ঠান্ডা রাখতে এবং শরীর সুস্থ রাখতে দই কিংবা টকদই অত্যন্ত কার্যকর। প্রতিদিন নিয়মিত পাতে দই রাখলে আপনাপর শরীর ও পেটের ওপর নানাবিধ ইতিবাচক প্রভাব পড়ে।
বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে সততা দই কারখানায় আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। এতে কারখানার বেশকিছু মালামালসহ প্রায় ১২০০ কেজি মিষ্টি নষ্ট হয়েছে।
সারাদিন রোজা রাখার পর শরীরের হারানো শক্তি ফিরে পেতে পুষ্টিকর খাবারের কোনো বিকল্প নেই। ভাজাপোড়া খেয়ে পেট ভার না করে ইফতারে স্বাস্থ্যকর ও সুস্বাদু খাবারের খোঁজ করছেন অনেকেই। পুষ্টিবিদদের মতে, রমজানে শরীর ঠাণ্ডা রাখতে এবং তাৎক্ষণিক শক্তি জোগাতে ‘দই-চিড়া’ হতে পারে সেরা বিকল্প।
খাবারের শেষে এক বাটি দই, কিংবা গরমের দিনে এক গ্লাস ঠান্ডা ঘোল দুটোই আমাদের চেনা ও প্রিয়। তবে প্রশ্ন হলো হজমের জন্য আসলে কোনটি বেশি উপকারী? পেটের গ্যাস, অ্যাসিডিটি, বদহজম বা অস্বস্তির মতো সমস্যায় অনেকে দই খান, আবার কেউ ভরসা রাখেন ঘোলের ওপর।
দীর্ঘ ১৩ থেকে ১৪ ঘণ্টা রোজা রাখার পর শরীরের প্রতিটি কোষের সঠিক পুষ্টি ও পর্যাপ্ত পানি পান করা অত্যন্ত জরুরি।
নিয়মিত দই খাওয়া কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে পারে, এমন তথ্য সামনে এসেছে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণায়।
শুধু গরমকাল নয়, শীতকালেও টক দই খাওয়া যেতে পারে। তবে ঠাণ্ডা লাগার ধাত থাকলে, কখনোই সরাসরি ফ্রিজের দই খাবেন না।