মানিকগঞ্জে বর্ণাঢ্য র্যালি ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস পালিত হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সামনে থেকে একটি র্যালি বের হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে একইস্থানে এসে শেষ হয়। পরে সিভিল সার্জন ডা. একে এম মোফাখখরুল ইসলামের সভাপতিত্বে সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
- গোপালগঞ্জে ট্রেনের ধাক্কায় শিশুর মৃত্যু
- * * * *
- ডেঙ্গু প্রতিরোধে মোংলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পরিচ্ছন্নতা অভিযান
- * * * *
- ২০২৫ সালেই ধর্ষণের অভিযোগ নিয়ে ১১শ নারী ঢাকা মেডিকেলে আসেন
- * * * *
- চিম্বুলুই সীমান্তে অসুস্থ বিজিবি সদস্যকে হেলিকপ্টারে চট্টগ্রাম সিএমএইচে স্থানান্তর
- * * * *
- মেঘনায় বজ্রপাতে ট্রলার থেকে নদীতে পড়ে নিখোঁজ ১
- * * * *
পালিত
মানিকগঞ্জে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্রীড়া দিবস পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে সোমবার (৬ এপ্রিল) সকালে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে থেকে একটি র্যালি বের করা হয়। র্যালি বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে গিয়ে শেষ হয়।
রংপুরের ঐতিহাসিক ‘ক্যান্টনমেন্ট ঘেরাও’ দিবস উপলক্ষে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছে প্রশাসন। জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে
মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে সিলেটে ফুলেল শ্রদ্ধায় বীর শহিদ মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরণ করেছেন সর্বস্তরের মানুষ
বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান প্রফেসর থানজামা লুসাই, জেলা প্রশাসক শামীম আরা রিনি, পুলিশ সুপার আবদুর রহমানসহ সরকারি কর্মকর্তা এবং জনপ্রতিনিধিরা শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করেন। পরে বান্দরবান স্টেডিয়ামে আনুষ্ঠানিক পতাকা উত্তোলন, জাতীয় সংগীত, কুচকাওয়াজ ও শিক্ষার্থীদের ডিসপ্লে পরিবেশিত হয়।
দিনাজপুরে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে পালিত হয়েছে।
বাগেরহাটে যথাযথ মর্যাদায় মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে বৃহস্পতিবার সূর্যোদয়ের সাথে সাথে জেলার সকল সরকারি বেসরকারি অফিসে পতাকা উত্তোলন করা হয়। ভোরে রাষ্ট্রের পক্ষে বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন শহীদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।
চট্টগ্রামে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালন করা হয়েছে।
বরগুনায় যথাযোগ্য মর্যাদা ও নানা আয়োজনে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালিত হয়েছে।
জয়পুরহাটে যথাযোগ্য মর্যাদায় নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালিত হচ্ছে। বুধবার সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে ৩১ বার তোপধ্বনির মধ্য দিয়ে শুরু হয় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের আনুষ্ঠানিকতা।