শুক্রবার রাশিয়ার বার্তা সংস্থা ইন্টারফ্যাক্সকে একথা জানিয়েছেন রাশিয়ার অন্যতম পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্দ্রেই রুদেনকো। তিনি আরো বলেন, দুই পক্ষ এরইমধ্যে ব্যাংকিং খাতে সহযোগিতা বাড়িয়েছে।
- ওয়ান ব্যাংকে নিয়োগ, ৪৫ বছর বয়সেও আবেদনের সুযোগ
- * * * *
- এনসিসি ব্যাংকের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, স্নাতক পাসেই আবেদন
- * * * *
- লেবাননে ইসরাইলের হামলা চলছেই, নিহত আরও ৮
- * * * *
- ইবি’র সুন্দরবন ছাত্রকল্যাণ সমিতির সভাপতি এখলাছ, সম্পাদক মাশুক
- * * * *
- প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ান হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ
- * * * *
রাশিয়া
ইউক্রেনে পশ্চিমাদের দূরপাল্লার অস্ত্র সরবরাহ রুশ বাহিনীকে বাধা দিতে পারবে না বলে মন্তব্য করেছে রাশিয়া। দেশটি বলছে, এটি মস্কো ও কিয়েভের মধ্যকার সঙ্ঘাতকে আরো বাড়িয়ে তুলবে।
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের সরঞ্জামবাহী রুশ জাহাজ ‘উরসা মেজর’ নিয়ে যে ঘটনা ঘটেছে, সেটি কারও জন্য ভালো হয়নি মন্তব্য করেছেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান।
ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) এবং জি সেভেন (জি ৭) সংস্থাগুলোর মাত্র আট দশমিক পাঁচ শতাংশ নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও রাশিয়া থেকে বেরিয়ে যাওয়ার বা দেশটিতে তাদের কার্যক্রম স্থগিত করার পদক্ষেপ নিয়েছে। নতুন একটি প্রতিবেদনে এমনটাই দেখা গেছে।
রাশিয়া বলেছে যে তারা বাংলাদেশ সহ অন্য দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করার নীতিতে `সর্বদা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।`
যুক্তরাষ্ট্রের একজন জ্যেষ্ঠ কূটনীতিক এ সপ্তাহে ইউক্রেনে হামলা চালানো রুশ বাহিনীর বিরুদ্ধে 'পদ্ধতিগত' যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ এনে বলেন, নির্যাতনের ধরন দেখে বোঝা যাচ্ছে, ক্রেমলিনের সর্বোচ্চ পর্যায়ের নেতারা এ সম্পর্কে জানেন এবং তা সমর্থন করেন।
ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ভারত রাশিয়ার সাথে অর্থনৈতিক সম্পর্ক প্রসারিত করবে এবং মস্কো থেকে তেল কেনা চালিয়ে যাবে। মস্কো থেকে ছাড়যুক্ত অপরিশোধিত তেলের আমদানি এই সম্পর্ক উন্নয়নে ভূমিকা রাখছে, সেরকম ইংগিত দেন তিনি।
সম্প্রতি ইউক্রেনীয় কিছু অঞ্চল রাশিয়ায় সংযুক্তকরণ এবং এর জেরে উত্তেজনা ছড়ালেও কূটনীতির দরজা খোলা রাখা উচিত বলে মনে করেন তুরস্কের প্রেসিডেন্টের মুখপাত্র ইব্রাহিম কালিন।মঙ্গলবার রাতে যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে এক আলোচনায় তিনি এ কথা বলেন।
ইউক্রেনে রাশিয়ার অব্যাহত ক্ষেপণাস্ত্র হামলার প্রেক্ষাপটে শিল্পোন্নত জি-সেভেন দেশগুলো বলেছে, যতদিন দরকার, ততদিন তারা ইউক্রেনকে সমর্থন দিয়ে যাবে।জরুরি একটি ভার্চুয়াল বৈঠকে তারা বলেছে, ইউক্রেনের জন্য তারা সামরিক, কূটনৈতিক আর মানবিক সহায়তা দিয়ে যাবে।
ক্রাইমিয়ার সাথে রাশিয়ার সংযোগকারী সেতুতে বিস্ফোরণের ঘটনার পর ইউক্রেনজুড়ে বড় ধরনের হামলা শুরু করেছে রাশিয়া। কিয়েভসহ বড় শহরে গত দু’দিনে প্রায় এক শ‘ ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত করেছে।