শীতের সময় পা ফাটে। তাই সবারই কম-বেশি আলাদা করে পায়ের যত্ন নিতে হয়। পায়ের গোড়ালি ফেটে যাওয়া কষ্টকর ও বিব্রতকর সমস্যা।
শীতে
শীত মানেই হরেকরকম পিঠা বানানোর উৎকৃষ্ট সময়। উৎসব, পিকনিক, পার্টি যেকোনো আয়োজনই উপভোগ্য হয়ে ওঠে নানা স্বাদের পিঠা থাকলে। তার ওপর দিন কয়েক পরেই আসছে বড়দিন। মজাদার সব কেক খাওয়ার উৎকৃষ্ট সময় এটি।
কয়েকটি জেলায় কয়েকদিন ধরে বইছিল মৃদু শৈত্যপ্রবাহ। এছাড়া অন্যান্য জেলাগুলোতেও দাপট দেখিয়েছে শীত।
শীতের সঙ্গে সঙ্গে সর্দি-কাশির প্রকোপ বাড়ছে। কেউ দিনে কয়েকশো বার হাঁচি দিচ্ছেন তো কারও নাক থেকে অবিরাম স্রোত বয়ে চলেছে। সেই সঙ্গে কাশি আর ঢোঁক গিলতে না পারার মতো গলাব্যথা তো আছেই।
শীতে শিশুকে সুস্থ রাখাটা বেশ চ্যালেঞ্জের। শীতে এমনিতেই প্রাপ্তবয়স্কদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়, অন্যদিকে শিশুদের ইমিউনিটি সিস্টেম তো আরও নাজুক।
শীতে কোট পরে পার্টিতে গিয়েছিলেন। বাড়ি এসে দেখছেন, খেতে গিয়ে হাতায় দাগ লেগে গিয়েছে। সেই দাগ তুলতে কি কোট দোকানে ড্রাইওয়াশে দেবেন? না কি তা বাড়িতেও কাচা যায়?
শীতে যে কেবল সর্দি-কাশির সমস্যা বাড়ে এমনটা নয়। এসময় চোখেও নানা সমস্যা দেখা দেয়। চোখে জ্বালাভাব, চুলকানি, চোখ দিয়ে অনবরত পানি পড়া, চোখ লাল হয়ে যাওয়ার মতো সমস্যা বাড়ে শীতকালে।
শীতের আমেজ জমিয়ে দেওয়ার জন্য নতুন খেজুরের গুড়ের ধোঁয়া ওঠা ভাপা পিঠার জুড়ি নেই। তবে অনেক সময় এই পিঠা বানাতে গেলেই দেখা যায় বিপত্তি।
শীত অনেকের কাছে উপভোগ্য হলেও, কেউ কেউ অল্প ঠান্ডাতেই কাবু হয়ে যান। বিশেষত বয়স্করা কম তাপমাত্রা একদমই সহ্য করতে পারেন না। তার ওপর ঘরে ঘরে সর্দি-কাশি, গলা ব্যথা, জ্বর তো লেগে আছেই।
গত কয়েক দিন তাপমাত্রার পারদ কমতে শুরু করে উত্তরাঞ্চলে। ফলে উত্তরের জেলাগুলোতে জেঁকে বসেছে শীত।