শীতের রুক্ষ বাতাসে ত্বকের অবস্থা খারাপ হয়ে যায়। আর সেই সঙ্গে ত্বক আর্দ্রতা হারায় খুব সহজে। আর ত্বক যদি তৈলাক্ত হয়; তাহলে কিছু ভুল করা একেবারেই বারণ।
শীতে
শীতের সবজি বাজারে উঠে গেছে। সবজি বাজারে গেলেই দেখা মিলছে নানা ধরনের রঙিন সবজি।
গরমের সময়ে প্রাণ জুড়াতে এসির বিকল্প নেই। অনেকেই গরমে অতিষ্ঠ হয়ে দ্বারস্থ হচ্ছেন এয়ার কন্ডিশনার বা এসির। শীতে এসির তেমন কোনো প্রয়োজন হয় না বললেই চলে। যে কারণে একটা দীর্ঘ সময় এসি বন্ধ করে রাখেন বেশিরভাগ ব্যবহারকারী।
হিমালয় কন্যা খ্যাত দেশের উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে বাড়তে শুরু করেছে শীতের প্রকোপ। কুয়াশার সঙ্গে ঠান্ডা বাতাস যোগ হওয়ায় শীতের প্রকোপ আরও বেড়েছে।
শীতে ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, ধূলিকণার প্রকোপ বেশি। আর এগুলো প্রথম হানা দেয় ফুসফুসে। ফুসফুস দুর্বল হয়ে পড়া মানেই শরীর ধীরে ধীরে ভেঙে পড়তে শুরু করে। আর এমনিতেও শীতকালে কমবেশি সবাই সর্দি, হাঁচি-কাশি, জ্বর, নাক দিয়ে পানি পড়ার সমস্যায় ভোগেন। এর সঙ্গে বাড়ে ফুসফুসের সংক্রমণও।
ডালিম অতি সুস্বাদু এবং পুষ্টিকর একটি ফল। শীতকালে প্রতিদিন ডালিম খাওয়া সামগ্রিক স্বাস্থ্য এবং সুস্থতা কে সমর্থন করে। এজন্য একটি সুস্বাদু এবং পুষ্টিকর উপায় হতে পারে। এটি দেখতে যেমন সুন্দর, খেতেও সুস্বাদু।
বার্লি অনেক প্রয়োজনীয় পুষ্টির একটি ভালো উৎস, এটি একটি উচ্চ পুষ্টিকর খাদ্য তৈরি করে। এটি ফাইবার সমৃদ্ধ, যা হজমে সাহায্য করতে পারে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। বার্লি খাওয়া আপনার প্রতিদিনের খাদ্যতালিকাগত ফাইবার গ্রহণে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখতে পারে।
আপেল একটি শীতকালীন ফল। কিন্তু বর্তমানে আধুনিক স্টোরেজ সুবিধার কারণে আমরা প্রতিটি মৌসুমেই এটি পেয়ে থাকি। এখন বাজারে আপেলের পাশাপাশি পাবেন টাটকা শাকসবজিও। শীতে আপেল খেলে খুব উপকার পাবেন। তবে শুধু শীতে নয়, উপকার পাবেন সব সময়ই। তাই দিনে একটি করে আপেল খেতে পারেন।
গ্রামে শীতের লেপ কম্বল বের করে ফেলেছেন প্রায় সবাই। আর শহরে তেমন শীত নেই এখনো। কিন্তু শেষ রাতে জানান দিচ্ছে শিরশিরানি, কনকনে ভাব। সেই ঠান্ডা ভাব কাটাতে পারেন পর্দার বুদ্ধিদীপ্ত ব্যবহারে। বেশি শীতেও ঘর গরম রাখতে এই উপায় কাজে লাগবে।
শীতের বিভিন্ন ধরনের সবজির মধ্যে ফুলকপি ও বাঁধাকপির চাহিদা সবচেয়ে বেশি। তবে এই দুটো সবজির মধ্যে কোনটিতে বেশি পুষ্টি, এ নিয়ে অনেকের মধ্যে জোর বিতর্ক আছে।