শীতকাল এলেই ত্বক শুকিয়ে যায়, উড়ো চুলের সমস্যা বাড়ে। এই অবস্থায় চুল ও ত্বকের যত্ন নিতে পারে তেল। শীতের দিনগুলোতে ত্বক ও চুলের পরিচর্যা করতে তেলকে বেছে নিন। মাথার ত্বকের স্বাভাবিক আর্দ্রতা কমে যাওয়ায় এই সময় খুশকি, চুল ঝরা-সহ নানা রকম সমস্যা দেখা দেয়। চুলের ধরন রুক্ষ হলে এই মৌসুমে সমস্যা বেড়ে যায় কয়েক গুণ।
শীতে
শীতকালে সর্দি-কাশি, জ্বর, গলাব্যথার মতো সমস্যাগুলো বাড়ে। আর তখনই সুস্থ হতে তাৎক্ষণিক ওষুধই ভরসা হয়ে ওঠে। তবে সাময়িক সুস্থ হলেও কিছুদিন পর আবার সেই সমস্যা দেখা দেয়। তাই এই সমস্যার একটা স্থায়ী সমাধান জরুরি। তার জন্য ভরসা হতে পারে কমলা রঙের ৩ ফল। শীতের বাজারে খুঁজলেই পেয়ে যাবেন।
ঘন কুয়াশা আর শীতের তীব্রতায় দুর্ভোগে পড়েছে কুড়িগ্রামের মানুষ। এ জেলায় রাতে প্রচণ্ড ঠান্ডার সঙ্গে পড়ে ঘন কুয়াশা।
পৃথিবীর অন্যতম জনপ্রিয় একটি ফল হচ্ছে কলা। সহজলভ্যতা, পুষ্টিগুণ ও সুস্বাদু হওয়ার কারণে কলা আমাদের প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় স্থান পেয়েছে।
দেশজুড়ে জেঁকে বসেছে শীত। বিগত সপ্তাহে ফুরফুরে মেজাজে ঘুরে বেড়ানো গেলেও গত দুদিন গায়ে চাপাতে হচ্ছে শীতের পোশাক। তাপমাত্রার পারদ কমছে ধীরে ধীরে। আর এসময় সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েন পরিবারের প্রবীণরা। ঋতু বদলের এই সময়টায় বয়স্কদের মধ্যে নানা শারীরিক সমস্যা দেখা দেয়। বাড়ে বাতের ব্যথা, হাঁপানি, উচ্চ রক্তচাপ, হার্টের রোগ।
সারাবছর ধনেপাতা পাওয়া গেলেও শীতে একটু কম দামে মিলে। তাই এই সময় বেশি পরিমাণে এই পাতা খাওয়া হয়। অসাধারণ পুষ্টিগুণে ভরপুর এই পাতা রান্নায় ব্যবহারের ফলে খাবারের স্বাদ বেড়ে যায়। এছাড়াও বিভিন্ন খাবারে মসলা হিসেবে ব্যবহার করা হয়ে থাকে সবুজ রঙের সুন্দর এই পাতা।
পঞ্চগড়ে চার দিন ধরে হাড় কাঁপানো শীত অনুভূত হচ্ছে। দিনের বেশির ভাগ সময় সূর্যের দেখা মিলছে না। গতকাল থেকে এখন পর্যন্ত সূর্যের দেখা নেই। রাতভর টিপ টিপ করে ঝরছে কুয়াশা। উত্তরের হিমশীতল বাতাসের কারণে কনকনে শীতে জবুথবু জনজীবন।
পোশাক নিয়ে যারা এক্সপেরিমেন্ট করতে ভালোবাসেন তাদের অন্যতম প্রিয় ঋতু শীত। শাল, সোয়েটার, মাফলার, ওভারকোট, জ্যাকেট, মাঙ্কিক্যাপ কিংবা কার্ডিগানে সেজে ওঠার উৎকৃষ্ট সময় এটি।
শীত আসতে না আসতেই আমাদের মাঝে কমবেশি সবাই ভুগছেন সর্দি-জ্বর আর কাশিতে। আর এ সময় জ্বরের সঙ্গে সঙ্গে অনেকেরই জ্বরঠোসা দেখা দিচ্ছে ঠোঁটের কোণে। এক্ষেত্রে ঠোঁটের আশপাশে ছোট ছোট একগুচ্ছ ফুসকুঁড়ি দেখা দেয়। যা প্রচণ্ড ব্যথা ও চুলকানির সৃষ্টি করে।
বগুড়ায় গত দুইদিন হলে ঘন কুয়াশায় সূর্যের দেখা মিলছে না। উত্তরের হিমেল বাতাস আর কনকনে শীতে জবুথবু জনজীবন। গত সোমবার বগুড়া জেলায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৪ দশমিক ০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসের আর্দ্রতা ৯২ শতাংশ। এছাড়া দিনভর কোথাও সূর্যের দেখা মেলেনি। ঘন কুয়াশায় আচ্ছন্ন ছিল দিনের পুরো সময়। মঙ্গলবার সকালে সূর্যের দেখা না মিললেও দুপুরে হালকা রোদ দেখা গেছে।