তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, ধর্ম, বর্ণ, ভাষা বা নৃতাত্ত্বিক পরিচয়ের বিভাজন দূর করে নাগরিক পরিচয়ের ভিত্তিতে সব মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করার সবচেয়ে শক্তিশালী ও কার্যকর রাজনৈতিক দর্শন হলো ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’। গতকাল সোমবার বিকেলে জাতীয় প্রেস ক্লাবের আব্দুস সালাম মিলনায়তনে ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ, তারেক রহমান ও বর্তমান প্রেক্ষাপট’ শীর্ষক গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন ও প্রকাশনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
দই
দই বড়া বলতেই সাধারণত ডাল দিয়ে তৈরি বড়া, তার ওপর টক-মিষ্টি দই চাটনির স্বাদই মনে আসে।
গরমের দিনে এক বাটি টক দই শরীরকে যেমন শীতল রাখে, তেমনি এটি হজমশক্তি বাড়ানো ও অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তবে পুষ্টিবিদরা বলছেন, টক দইয়ের স্বাদ বাড়াতে অতিরিক্ত চিনি বা লবণ মেশানোর অভ্যাস এর পুষ্টিগুণ কমিয়ে দিতে পারে।
বগুড়ায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে পচা ও বাসি দই সংরক্ষণ এবং বিক্রির অভিযোগে 'শেরপুর দই ঘর' নামের একটি দইয়ের শো-রুমকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
গ্রীষ্মকালে দই ভাত একটি পরিচিত আরামদায়ক খাবার, যা শরীর ও মন উভয়কেই প্রশান্তি দেয়।
একই রকম রান্নার স্বাদে যখন প্রতিদিনের খাবার হয়ে ওঠে একঘেয়ে, তখন দরকার একটু ভিন্নতার ছোঁয়া।
গরমে পেট ঠান্ডা রাখতে এবং শরীর সুস্থ রাখতে দই কিংবা টকদই অত্যন্ত কার্যকর। প্রতিদিন নিয়মিত পাতে দই রাখলে আপনাপর শরীর ও পেটের ওপর নানাবিধ ইতিবাচক প্রভাব পড়ে।
বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে সততা দই কারখানায় আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। এতে কারখানার বেশকিছু মালামালসহ প্রায় ১২০০ কেজি মিষ্টি নষ্ট হয়েছে।
সারাদিন রোজা রাখার পর শরীরের হারানো শক্তি ফিরে পেতে পুষ্টিকর খাবারের কোনো বিকল্প নেই। ভাজাপোড়া খেয়ে পেট ভার না করে ইফতারে স্বাস্থ্যকর ও সুস্বাদু খাবারের খোঁজ করছেন অনেকেই। পুষ্টিবিদদের মতে, রমজানে শরীর ঠাণ্ডা রাখতে এবং তাৎক্ষণিক শক্তি জোগাতে ‘দই-চিড়া’ হতে পারে সেরা বিকল্প।
খাবারের শেষে এক বাটি দই, কিংবা গরমের দিনে এক গ্লাস ঠান্ডা ঘোল দুটোই আমাদের চেনা ও প্রিয়। তবে প্রশ্ন হলো হজমের জন্য আসলে কোনটি বেশি উপকারী? পেটের গ্যাস, অ্যাসিডিটি, বদহজম বা অস্বস্তির মতো সমস্যায় অনেকে দই খান, আবার কেউ ভরসা রাখেন ঘোলের ওপর।