আবু হুরায়রা (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ তাআলা বলেন, যে ব্যক্তি আমার ওলির সঙ্গে শত্রুতা পোষণ করে, আমি তার সঙ্গে যুদ্ধের ঘোষণা করি।
- আদাবরে লুটপাটের অভিযোগে গণপিটুনির পর যুবকের মৃত্যু
- * * * *
- বিশ্বকাপে গোলের অনন্য রেকর্ড গড়লেন হ্যারি কেইন
- * * * *
- নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ
- * * * *
- প্রসেনজিতের ঠোঁটে কামড় তরুণের, রক্তাক্ত হন অভিনেতা
- * * * *
- নিরাপত্তার স্বার্থে বাড়ি ছাড়ছেন সালমান! নতুন ঠিকানা কোথায় অভিনেতার?
- * * * *
ইসলাম
মাওলানা সাখাওয়াত উল্লাহ: মানুষের দোয়ায় নিজেকে শামিল করার আরেকটি উপায় হলো সৎকর্মশীল বান্দাদের কাছে দোয়া চাওয়া।
আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে ‘আশরাফুল মাখলুকাত’ বা সৃষ্টিকুলের মধ্যে শ্রেষ্ঠত্বের মর্যাদায় অধিষ্ঠিত করেছেন। আল্লাহ ইরশাদ করেন, ‘নিশ্চয়ই আমি আদম সন্তানকে মর্যাদা দান করেছি, আমি তাদের স্থলে ও জলে চলাচলের বাহন দান করেছি; তাদের উত্তম জীবনোপকরণ দিয়েছি এবং তাদের অনেক সৃষ্ট বস্তুর ওপর শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছি।’ (সূরা ইসরা-৭০)
মানুষ বাকশক্তিসম্পন্ন প্রাণী। মানুষকে কথা বলতেই হবে। এই কথা হতে পারে কোনো নর কিংবা নারীর সঙ্গে। প্রয়োজনে নারীর সঙ্গে কথা বলার অনুমতি দেয় ইসলাম। রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর যুগে বহু নারী তাঁর সঙ্গে কথা বলেছেন।
পাপাচারে পৃথিবী এখন অনেকটাই ভারসাম্যহীন হয়ে পড়েছে। মানুষের ব্যক্তি চরিত্র থেকে শুরু করে পারিবারিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, রাষ্ট্রীয় ও আন্তর্জাতিক চরিত্র শয়তানের বিস্তৃত জালে আটকা পড়েছে।
আবদুর রশিদ: মানুষ সৃষ্টির সেরা জীব। আল্লাহ তাঁর সব সৃষ্টির প্রতি অসীম মমত্বশীল। ফলে কোনো মানুষ যখন অন্য মানুষের কষ্ট লাঘব করে আল্লাহ তাকে পুরস্কৃত করেন।
মো. আমিনুল ইসলাম: প্রথমে আমাদের জানা দরকার তওবা কী? কেনই বা আমরা তওবা করব? আল্লাহ রব্বুল আলামিন মানুষকে সৃষ্টিগত -ভাবেই দুর্বল করে বানিয়েছেন। এজন্যই মানুষ পদে পদে ভুল করে, অপরাধ আর অন্যায় করে।
তারুণ্য জীবনের শ্রেষ্ঠ সময়। এ সময়ে মানুষ অনেক বুদ্ধিদীপ্ত ও প্রাণবন্ত হয়ে থাকে। চাইলে ব্যক্তি তখন অনেক কিছু করতে পারে। দেখা যায় অনেকেই এই সময় অবহেলায় নষ্ট করে।
মুফতি মুহাম্মদ এহছানুল হক মুজাদ্দেদী: ইসলাম পবিত্র ধর্ম। পবিত্রতা ইমানের অঙ্গ। আল কোরআনের সামগ্রিক বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, মহান আল্লাহতায়ালা যেসব উদাহরণ দেখিয়ে মানুষকে ইমান আনার জন্য উৎসাহ দিয়েছেন, উদ্বুদ্ধ করেছেন এবং আল্লাহর আয়াত বা নিদর্শন বলে উল্লেখ করেছেন, এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক হলো প্রকৃতি ও পরিবেশের উপাদান।
মুমিনের প্রতিটি কাজ ও মুহূর্ত আমল ও ইবাদত। যখন সবকিছু আল্লাহর হুকুম ও রাসুল (সা.)-এর সুন্নত অনুযায়ী হয়, তখন সবকিছু ইবাদতে পরিণত হয় এবং সওয়াবযোগ্য হয়। আল্লাহ তাআলা বান্দার জন্য এর সবকিছু পুণ্যময় করে দেন।
আবদুর রশিদ: জীবজগতের মধ্যে মানুষই একমাত্র জীব মানুষ হয়ে উঠতে যার পরিচর্যার দরকার হয়। যা অন্য কোনো জীবের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। প্রত্যেক বাবা-মায়ের লক্ষ্য থাকতে হবে তাঁর সন্তান যেন মানবিক গুণ অর্জন করে।
যে জন্মেছে সে মরবেই। যার সূচনা হয়েছে তার সমাপ্তি ঘটবেই। এটা আল্লাহ তাআলার শাশ্বত চিরন্তন বিধান।
মুহাম্মাদ হেদায়াতুল্লাহ: সর্বদা আল্লাহর ওপর ভরসা করো: আবদুল্লাহ বিন আব্বাস (রা.) বর্ণনা করেছেন, একদিন তিনি বাহনে রাসুল (সা.)-এর পেছনে ছিলেন।
মাওলানা রফিক আহমদ ওসমানী: পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীন এবং সর্বপ্রথম প্রতিষ্ঠান হলো পরিবার। আদম-হাওয়া এ দুজন মানুষের প্রেমময় পরিবার থেকেই আজকের এই বিকশিত সাড়ে সাত শ কোটি মানুষের উন্নত ও আধুনিক পৃথিবী এতটা পথ পেরিয়ে এসেছে।
শাফায়াত অর্থ সুপারিশ। আল্লাহ রাব্বুল আলামিন শুধু হজরত মুহাম্মদ সা:কে শাফায়াতের ক্ষমতা দিয়েছেন। মাকামে মাহমুদে অবস্থান করে রাসূলুল্লাহ সা: আল্লাহর হুকুমে ‘শাফায়াত’ করবেন।
আল্লাহ সর্বপ্রথম হজরত মুহাম্মদ সা:কে সুপারিশ করার অনুমতি দেবেন।
আবু বারজাহ আল আসলামি নাজলাহ বিন উবাইদ (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘কিয়ামতের দিন বান্দা (চারটি) প্রশ্নের উত্তর না দেওয়া পর্যন্ত দুই পা সরাতে পারবে না।