ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের এক স্বাস্থ্য কর্মকর্তা জানিয়েছেন, শনিবার গাজার উত্তরাঞ্চলের একটি শরণার্থী শিবিরে জোড়া হামলার ঘটনায় ৮০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছে। এর মধ্যে ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধে বাস্তুচ্যুত লোকজনের জন্য আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত জাতিসংঘের একটি স্কুলও রয়েছে।
গাজা
জিহাদ আবু শানাব নামে এক সাংবাদিক বিষয়টি আলজাজিরাকে জানিয়েছেন। তিনি এ পরিস্থিতিকে ‘সম্পূর্ণ ধ্বংসযজ্ঞ’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
অবরুদ্ধ ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় জ্বালানি প্রবেশের অনুমতি দেওয়ার জন্য ইসরায়েলকে চাপ দিয়ে আসছিল যুক্তরাষ্ট্র।
ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় এক মাসের বেশি সময় ধরে ইসরায়েলের অব্যাহত বোমা হামলায় নিহত ফিলিস্তিনির সংখ্যা সাড়ে ১২ হাজার ছাড়িয়েছে।
আবারও বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকা। এবার জ্বালানির অভাবে সেখানকার সব ধরনের যোগাযোগ ব্যবস্থা হয়ে গেছে।
জ্বালানি ও বিদ্যুত ঘাটতির কারণে গাজা উপত্যকার বাসিন্দারা বহির্বিশ্বের সাথে সব ধরণের যোগাযোগ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে।
গাজা উপত্যকায় যুদ্ধবিরতির জন্য জো বাইডেন প্রশাসনকে আহ্বান জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের ডেমোক্র্যাটিক পার্টির কমপক্ষে ২৪ সদস্যের একটি দল।
গাজা শহরে গতরাতে সত্যিকার অর্থে কী ঘটেছে- তা জানা কঠিন। তবে কয়েক দফায় বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে এবং এরপর এলাকাটি অন্ধকারে তলিয়ে গেছে।
ইসরায়েল-গাজা যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর প্রথম জ্বালানি সহায়তা পেয়েছে অবরুদ্ধ গাজা। বুধবার (১৫ নভেম্বর) মিসর-গাজা সীমান্তের রাফাহ ক্রসিং দিয়ে ডিজেল জ্বালানির একটি ট্রাক প্রবেশ করেছে দেশটিতে। খবর এএফপির।
এক মাসেরও বেশি সময় ধরে গাজার রাতের আকাশ ক্ষেপণাস্ত্র বিস্ফোরণে লাল আলোয় আলোকিত হয়েছে। যা গাজার ২৩ লাখ বাসিন্দার জন্য ডেকে এনেছে মৃত্যু ও ধ্বংস।