বর্তমানে ইফতার হয়ে উঠেছে উৎসবের একটি মাধ্যম। ইফতার উপলক্ষে পরিবার আত্মীয়-স্বজন সবাই এক টেবিলে খাওয়ার সুযোগ হয়। মেহমানদের ইফতার করানোর ক্ষেত্রে কিছুটা হলেও ভিন্ন পদ তৈরির চেষ্টা থাকে যেকোনো গৃহিণীরই।
চিকেন
দেশি স্বাদের ভিন্নধর্মী একটি পদ হলো চিকেন চুকুনি। মশলার ঝাঁঝ, টক-মিষ্টি স্বাদ আর মুরগির নরম মাংস সব মিলিয়ে এটি বেশ লোভনীয় একটি রান্না।
অতিথি আপ্যায়নের আয়োজনকে আরও স্মরণীয় করে তুলতে পারে এক কাচ্চা ঘ্রাণে ভরা, স্বাদে অসাধারণ তাওয়া চিকেন পোলাও।
ইফতার মানেই মজাদার কিছু। সারাদিনের রোজা রাখার পর অনেকেই চান হালকা, সুস্বাদু খাবার। ইফতারের টেবিলে তাই নতুনত্ব ও বৈচিত্র্যের খোঁজ চলতেই থাকে।
স্কুলের টিফিনে টিনের বাক্স খুলতেই ভেসে আসত গরম গরম প্যাটিসের ঘ্রাণ—শৈশব কিংবা তারুণ্যের সেই স্মৃতি আজও অনেকের মনে দোলা দেয়।
কেএফসিতে গিয়ে প্রায়ই ফ্রায়েড চিকেনে কামড় বসানো হয় হয়তো। মুচমুচে ময়দা আর নরম রসালো মাংস খেতে কার না ভালো লাগে। কিন্তু রোজ রোজ তো আর রেস্টুরেন্টে গিয়ে খাওয়া সম্ভব নয়।
শীতের ঠান্ডায় এক বাটি স্যুপের চেয়ে আরামদায়ক খাবার কমই আছে। হোক সেটি চিকেন স্যুপ কিংবা টমেটো স্যুপ, এই তরল খাবারগুলো শীতের প্রধান খাবার। কিন্তু আরামদায়ক অনুভূতির বাইরে, বাবা-মা এবং স্বাস্থ্য সচেতন ব্যক্তিরা ভেবে থাকেন ঠান্ডা এবং ফ্লু মৌসুমে আসলে কোনটি আসলে শরীরের জন্য বেশি কার্যকরী?
প্রতিদিনের রান্নায় একঘেয়েমি চলে এলে স্বাদে একটু বদল আনার সময় আসে। রোজকার ঝোল বা ভুনার বাইরে ভিন্ন কিছু চাইলে পালং চিকেন হতে পারে দারুণ সমাধান।
এখন বেশিরভাগ বাসায় সন্তানদের স্কুল বন্ধ। বন্ধের সময়গুলো ছেলেমেয়েরা দল বেঁধে একে অপরের বাসায় গিয়ে সময় কাটিয়ে থাকে।
শীতকালে সবসময় মসলাদার খাবার খেতে চায় মন। তা সে লুচি-আলুর দম হোক কিংবা মাটন কিমা, বিরিয়ানি কিংবা পোলাও-মাংস।