ইফতারে কী খান? প্রশ্নের জবাবে বেশিরভাগই বলবেন- পেঁয়াজু, আলুর চপ, বেগুনি, ছোলা। বাঙালি বাড়িতে ইফতারের টেবিলে আলুর চপের সরব উপস্থিতি দেখা যায়। কিন্তু রোজ রোজ একই খাবার খেতে কি আর ভালো লাগে।
রেসিপি
শীত চলে গেলেও বাজারে রয়ে গেছে সিমের বিচি। এখন বাজারের প্রায় সব সবজির দোকানেই মিলছে সিমের বিচি।
সাহরিতে একটু হালকা ধরনের খাবার খেতে বেশি ভালোলাগে। আবার প্রোটিনের যেকোনো পদও পাতে রাখা জরুরি।
সাহরিতে একটু ভাত-মাছ হলেই যেন ভালো। কারণ ঘুম থেকে জেগে এমন কিছু খেতে মন চায়, যা সুস্বাদু ও সহজে হজম হয়। সাহরিতে তাই রাখতে পারেন দেশি যেকোনো মাছের পদ। তার মধ্যে একটি হতে পারে শোল মাছ।
ইফতারে অন্তত এক পদের চপ না হলে মন যেন কেমন কেমন করে। যতই স্বাস্থ্যকর খাবারের প্রতীজ্ঞা করা হোক না কেন সারাদিন, অভ্যাস বলেও তো কথা থাকে।
ইফতারে বাড়িতে বানানো খাবারের মজায় আলাদা। আবার তা যদি হয় হালিম তাহলে তো কথাই নেই। ছোলার ঘুঘনি, পেয়াজু, বেগুনির মত খুব সহজেই বাড়িতে তৈরি করা যায় ভিন্ন ভিন্ন স্বাদের মজাদার হালিম।
রোজায় দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার আগে সেহরির খাবার হতে হবে পুষ্টিকর, সহজপাচ্য এবং তৃপ্তিদায়ক।
ইফতারে ঝটপট সুস্বাদু কিছু তৈরি করতে চাইলে বেছে নিতে পারেন চমৎকার স্বাদের এই পিঠা। এটি তৈরি করা খুবই সহজ এবং খেতেও দারুণ সুস্বাদু। বিশেষ করে যারা মিষ্টি খাবার খেতে বেশি পছন্দ করেন, তাদের জন্য লাচ্ছা সেমাইয়ের এই পিঠা হতে পারে সহজ পছন্দ।
গরমের দিনে ভারী ঝোল-ঝাল নয়, অনেকেই চান হালকা কিন্তু স্বাদে ভরপুর কিছু একটা। এমন সময়ে রান্নাঘরে খুব বেশি সময় না দিয়েও তৈরি করা যায় দারুণ একটি পদ শসা-চিংড়ি।
ইফতারে মুখরোচক কিছু খেতে মন চায় সবারই। অনেকে আবার বাইরে থেকে কিনে আনেন এটা-সেটা। তবে বাইরের ভাজাপোড়া খাবার যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলাই বুদ্ধিমানের কাজ। সম্ভব হলে বাড়িতে তৈরি করে খাবেন। সেক্ষেত্রে সহজে তৈরি করা যায় এমন একটি মুখরোচক খাবার হলো মুরগির মাংসের টিকিয়া।