শীত মানেই বাহারি পিঠার আয়োজন। তবে অনেকেই ওজন বেড়ে যাওয়ার ভয়ে পিঠার দিকে হাত বাড়ান না।
রেসিপি
পরোটা তৈরি করা যায় নানাকিছু দিয়ে। আপনি নিশ্চয়ই আলু পরোটা কিংবা কিমা পরোটা খেয়েছেন? তবে চাইলে সবজি দিয়ে তৈরি করতে পারেন সুস্বাদু পরোটা। এটি তৈরি করতে খুব বেশি সময় লাগে না, আবার উপকরণও লাগে কম। সকাল কিংবা বিকেলের নাস্তায় তৈরি করতে পারেন সবজি পরোটা।
বাংলার রান্নাঘরে শাক আর মাংসের মেলবন্ধন নতুন কিছু নয়, তবে লালশাক দিয়ে মুরগির মাংসের পদ এখনো অনেকের কাছেই একটু ভিন্নধর্মী।
ফুলকপি শুধু স্বাস্থ্যের জন্য নয়, স্বাদের দিক থেকেও অসাধারণ। আর যখন এটি তৈরি হয় কোরমা হিসেবে, তখন মসলা, নারকেল ও ক্রিমের স্বাদ এক হয়ে উঠে একটি নরম, সুস্বাদু এবং লোভনীয় পদে।
ঝাল-মসলার ঝাঁজে অভ্যস্ত আমাদের রান্নাঘরে হঠাৎ করে প্রশ্ন জাগে মসলা ছাড়াও কি সত্যিই গোশত সুস্বাদু হতে পারে? উত্তরটা লুকিয়ে আছে পেশোয়ারি রান্নার দর্শনে।
নতুন আলু পাওয়া যাচ্ছে বাজারে। আলু খেতে তো ভালোলাগেই, নতুন আলু যেন আমাদের একটু বেশিই পছন্দের। এর স্বাদও আলাদা।
যাদের কাছে ছানার রসগোল্লা বানানো কিছুটা ঝামেলার মনে হয় বা সময়সাপেক্ষ লাগে, তাদের জন্য উপযুক্ত বিকল্প হলো সুজির রসগোল্লা।
মুরগির মাংস দিয়ে সুস্বাদু সব খাবার তৈরি করা যায়। দ্রুত সেদ্ধ হয় বলে এ ধরনের খাবার রান্না করতে সময় কম লাগে। তাই ঝটপট সুস্বাদু কিছু তৈরি করতে চাইলে বেছে নিতে পারেন চিকেন চিজ ফিঙ্গার। বাড়িতে হঠাৎ অতিথি এলে এটি তৈরি করে দিতে পারেন।
বাজারে এখন মিলছে কচুমুখীর চেয়ে কিছুটা লম্বা আকৃতির বিশেষ কচু। একে জংলি কচু নামে চেনেন অনেকে। এই কচু সাধারণত ভর্তা বা চিংড়ি দিয়ে রান্না করে খাওয়া হয়। তবে জংলি কচু দিয়ে চাইলে ডাল রান্না করতে পারেন।
ফ্রেঞ্চ ফ্রাই খেতে কার না ভালো লাগে! রেস্তোরাঁয় গেলে ফ্রেঞ্চ ফ্রাই না খেলে যেন খাবারই অসম্পূর্ণ থেকে যায়।