প্রচণ্ড গরমে বাইরে থেকে ঘরে ফিরেই অনেকের প্রথম কাজ হলো ফ্রিজ খুলে এক গ্লাস বরফ-শীতল পানি পান করা। মুহূর্তের মধ্যে শরীর যেন কিছুটা স্বস্তি পায়, ক্লান্তি কমে আসে এবং তৃষ্ণাও মিটে যায়।
গরমে
তীব্র গরমে শরীরকে সুস্থ ও সতেজ রাখতে প্রয়োজন হালকা, সহজপাচ্য এবং পুষ্টিকর খাবার।
ঠান্ডা লাগা অর্থাৎ সর্দি, নাক বন্ধ, গলাব্যথা, গলা খুসখুস করা, গলার স্বর ভেঙে যাওয়া, কাশি, এমনকি জ্বরের মতো উপসর্গও দেখা দেয় বছরের নানান সময়ে। গরমে বা বর্ষায় কেন এমন হয়? সুস্থ থাকতে করণীয় কী?
গ্রীষ্মের তীব্র দাবদাহে জনজীবন যখন অতিষ্ঠ, তখন এক গ্লাস ঠান্ডা পানীয় শরীরে এনে দিতে পারে স্বস্তি। তীব্র গরমে ঘামের মাধ্যমে শরীর থেকে প্রচুর পানি ও খনিজ লবণ বের হয়ে যায়। এই ঘাটতি পূরণে আমরা অনেক সময় এমন কিছু পানীয় বেছে নিই, যা সাময়িক আরাম দিলেও দীর্ঘমেয়াদে শরীরের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।
ঈদের ছুটি শেষে কর্মব্যস্ত নগরে ফিরতে শুরু করেছে মানুষজন। দাফতরিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে, খুলতে শুরু করেছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানও। জ্যৈষ্ঠ মাসের মাঝামাঝি, রোদ্রের প্রখরতা প্রচণ্ড। মাথার ওপর সূর্য যেন আক্ষরিক অর্থেই আগুন ঢালছে। পিচঢালা পথ দিয়ে হাঁটার সময় মনে হয়, চারপাশের বাতাসও যেন গনগনে চুলার আঁচের মতো গায়ে এসে লাগছে।
গরমে পুড়ছে শহর-বন্দর-গ্রাম। ভোরের আলো ফুটতেই তাপমাত্রা ভোগাচ্ছে সবাইকে। বেলা যত বাড়ছে, তত বৃদ্ধি পাচ্ছে অস্বস্তি। এই গরমে বেহাল দশা হচ্ছে শরীরের। দেখা দিচ্ছে একাধিক স্বাস্থ্য জটিলতা। দাবদাহের কারণে অনেকের বমির সমস্যা দেখা দিচ্ছে।
গরমের মৌসুমে পাকা আম দিয়ে তৈরি বিভিন্ন মজাদার পদ সবাই খুব পছন্দ করেন। এর মধ্যে আমের ফালুদা একটি জনপ্রিয় ডেজার্ট, যা দেখলেই জিভে পানি চলে আসে।
গ্রীষ্মকাল এলেই বাজারে রসালো ও সুস্বাদু তালের শাঁসের দেখা মেলে। কচি তাল ভেঙে বের করা স্বচ্ছ, নরম এই শাঁস শুধু স্বাদের জন্যই নয়, পুষ্টিগুণের কারণেও বেশ জনপ্রিয়।
এই গরমে এক গ্লাস আইস টি শরীরকে ঠান্ডা ও সতেজ রাখে। শুধু পিপাসা মেটানোই নয়, আইস টি শরীরকে ভেতর থেকে রিফ্রেশ করে, ক্লান্তি কমায় এবং মনকেও হালকা করে তোলে।
গরমের দিনে অনেকেই ঠান্ডা ও মিষ্টি কিছু খেতে পছন্দ করে। আর পায়েস তো এমনিতেই সবার প্রিয় মিষ্টান্ন। সেই চিরচেনা পায়েস যদি হয় লিচু দিয়ে তৈরি, তাহলে স্বাদ আর সতেজতায় যেন একেবারে নতুন মাত্রা যোগ করে।