পেঁয়াজ রান্নাঘরে নিত্যসঙ্গী। এটি প্রতিদিনই বিভিন্ন রান্নায় ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
লাইফস্টাইল
পাকা কলা সহজলভ্য একটি ফল, যা নানা পুষ্টিগুণে ভরপুর। অনেকেই কলা টুকরো করে ফ্রুট সালাদ, চিঁড়া-দইয়ের ফলার কিংবা রায়তায় মিশিয়ে ওপরে ছিটিয়ে দেন চাট মসলা।
অনেকেই স্ট্রিট ফুড খেতে পছন্দ করেন। মাঝে মাঝে স্বাদ বদলের জন্য বাড়িতেও স্ট্রিট ফুডের নানা পদ বানিয়ে খেয়ে থাকেন।
আমরা সবাই খাবারে রসুনের স্বাদ এবং গন্ধ পছন্দ করি। কিন্তু এর তীব্র গন্ধ এবং ঝাঁঝালো স্বাদের কারণে সবাই এটিকে কাঁচা খেতে পছন্দ করেন না। তবে, আপনি যদি ৩০ দিন প্রতিদিন এক কোয়া কাঁচা রসুন খেতে পারেন, তাহলে আপনি আপনার শরীরে বেশ কিছু পরিবর্তন দেখতে পারেন।
শরীরের ব্লাড সুগার বা রক্তের শর্করার পরিমাণ যখন বেশি হয়ে যায় তখন তাকে ডায়াবেটিস বলা হয়। বর্তমানে অসংখ্য মানুষ এই সমস্যায় আক্রান্ত। তাই ডায়াবেটিস নিয়ে সচেতনতার বিকল্প নেই। দীর্ঘদিন রক্তের শর্করার মাত্রা বেশি থাকলে তার প্রভাব পড়ে চোখ ও কিডনিতেও।
মিষ্টি কিশমিশ আমাদের অনেকের কাছেই পছন্দের? কিশমিশ হলো একটি ছোট, মিষ্টি খাবার যার পুষ্টিগুণ অসাধারণ। কিশমিশ কেবল স্বাদেই মিষ্টি নয়; এটি অনেক উপকারিতাও নিয়ে আসে। অনেকে রাতে কিশমিশ ভিজিয়ে রেখে পরের দিন সকালে খেয়ে থাকেন।
পাকস্থলীর ক্যানসারকে অনেককে বদহজমের সঙ্গে গুলিয়ে ফেলেন। তাই উপসর্গ দেখা দিলেও উপেক্ষা করেন। আর এ কারণেই বেশিরভাগ সময়ে দেরিতে ধরা পড়ে এই ক্যানসার। পাকস্থলীর সঙ্গে যেহেতু খাবার ও হজমের সম্পর্ক রয়েছে তাই খাদ্যাভ্যাসই এই ক্যানসারের জন্য দায়ী।
বাজারে এখন নানা ধরনের ডিম পাওয়া যায়। এক সময় সাদা রঙের ডিম বেশি চললে এখন লালচে বা খয়েরি রঙের ডিমের ব্যবহার বেশি দেকা যায়। তবে কোন ধরনের ডিম বেশি উপকারী তা নিয়ে নানা মতামত রয়েছে।
স্বাস্থ্যের জন্য অন্যতম উপকারী একটি ফল হলো আমলকী। ভিটামিন সি, ফাইবার ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্টে ভরপুর এই ফল নিয়মিত খেলে নানা রোগ প্রতিরোধ করা যায়।
লেবু চা আমরা কম-বেশি সবাই পান করে থাকি। এই লেবু চায়েই আছে অসংখ্য উপকারী দিক, যা আমরা অনেকেই জানি না। চলুন জেনে নেই লেবু চায়ের উপকারী দিক–
সুস্বাস্থ্যের জন্য কাঁচাকলা যেমন উপকারী সবজি, তেমনি উপকারী কলার মোচা। কলা গাছ আমাদের দেশের সব অঞ্চলে পাওয়া যায় এবং এর ফলনও সহজেই হয়। কলার মোচাও আমাদের খাদ্য তালিকায় গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে।
দই মূলত তাদের জন্য উপকারী যাদের হজমশক্তি বাড়াতে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। এছাড়া, উচ্চ রক্তচাপ, চর্মরোগ এবং মানসিক চাপ কমাতেও দই উপকারী, তবে ল্যাকটোজ অসহিষ্ণু ব্যক্তি এবং অ্যাসিডিটি যাদের বেশি, তাদের জন্য কিছু সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত।
বর্তমান সময়ে শিশুদের শৈশব কাটে স্মার্টফোন আর ল্যাপটপের গণ্ডির মধ্যেই! একদিকে অনলাইন ক্লাস, অন্যদিকে মোবাইলে রকমারি বিনোদন। ছোটদের জীবনে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত সম্ভবত তাদের চোখ। এই সমস্যা দিন দিন বাড়ছে।
বর্তমান সময়ে মানুষের অন্যতম বড় চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে ওজন বেড়ে যাওয়া। অনেকেই ওজন কমানোর আশায় মুখরোচক খাবার বর্জন করছেন, কেউ আবার প্রধান খাদ্য ভাতই খাওয়া বন্ধ করে দিচ্ছেন।
হার্ট সুস্থ রাখতে ভিটামিন ‘ডি’ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। আর রক্তে ভিটামিন ‘ডি’ কম থাকার কারণে হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।
সৌন্দর্য চর্চায় শঙ্খচূর্ণ সব ধরনের ত্বকে মানিয়ে যায়। জানেন কি! এর সাদা গুঁড়ায় থাকে প্রচুর ক্যালসিয়াম এবং নানা ধরনের খনিজ।