আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন আইনজীবী ড. কামাল হোসেন বলেছিলেন, ‘নির্বাচন এখন কোটি টাকার খেলা। সৎ মানুষের জন্য নির্বাচন এখন শুধু কঠিন নয়, অসম্ভব।’
মতামত
দীর্ঘদিনের কর্তৃত্বপরায়ণ ও স্বৈরাচারী শাসনের অবসানের পর জনগণের মধ্যে স্বস্তি ও প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল যে এবার হয়তো একটু শান্তিতে বসবাস করা যাবে। কিন্তু বিধিবাম। স্বস্তির বদলে আমাদের সামনে এক জলজ্যান্ত বিভীষিকা হয়ে দেখা দিল-মব।
প্রাথমিক শিক্ষা aকোনো পরীক্ষাগার নয়। এখানে ভুলের সুযোগ নেই, কারণ ভুলের খেসারত দেয় শিশুরা।
একজন নন্দিত অভিসংবাদিত ও কিংবদন্তি বেগম খালেদা জিয়ার প্রয়াণের মুহূর্তেই আমরা পা রাখছি নতুন বছরে। স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্রের প্রশ্নে বেগম জিয়ার আপসহীনতার যে সমুজ্জ্বল দৃষ্টান্ত আমাদের সামনে দাঁড়িয়ে আছে। আমরা কি সেই আলোয় আলোকিত হব নাকি অন্ধকারই থেকে যাব? আমি মনে করি জাতি হিসেবে আমাদের নতুন করে ভাবতে হবে যে আমরা কোথা থেকে এলাম, কোথায় দাঁড়িয়ে আছি, আর কোথায় যেতে চাই। বছরের শেষ প্রান্তে দাঁড়িয়ে নতুন বছরের সূচনালগ্নে এই আত্মসমীক্ষা তাই কেবল শোকের নয় বরঞ্চ খুলে দিতে পারে সম্ভাবনার নতুন দুয়ার।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান ২০২৫ সালের শুরুর দিকে ভারতের একজন কূটনীতিকের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন বলে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে। এ প্রসঙ্গে কথা বলেছেন আমজনতার দলের সদস্যসচিব মো. তারেক রহমান। তিনি বলেন, জামায়াতের ভাই-বন্ধুরা অপেক্ষা করছিলেন এ বিষয়ে বক্তব্য আসবেই। এবার আমি তো নিয়েই আসলাম।
৩০শে ডিসেম্বর ২০২৫ এক শোক বিহ্বল ও বেদনা-বিধুর দিন। জাতি হারাল তার শ্রেষ্ঠ সন্তানকে। দেশবাসী শোকে অসহায় ও কাতর। গণতন্ত্রের জন্য যে মহান ব্যক্তিটি নিজের ঘর-সংসার, সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য, সন্তানের মায়া ত্যাগ করে দেশের ভাগ্যহত মানুষদেরকে স্বজন ভেবে স্বদেশের মাটি আঁকড়িয়ে বেঁচে ছিলেন, তা পৃথিবীর ইতিহাসে নজিরবিহীন ঘটনা হিসেবে অবিস্মরণীয় হয়ে থাকবে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সিনিয়র সাংবাদিক মাসুদ কামাল বলেছেন, আসলে এনসিপির রাজনীতিটা এরকম, তারা এটাই করতে চেয়েছিল। এতদিন তারা যে সমস্ত কথাবার্তা বলেছে তার অধিকাংশ ছিল নাটক। এতদিন তারা কি বলেছে? তারা একটা মধ্যপন্থা দল হিসেবে নিজেদেরকে আবির্ভূত করার চেষ্টা করেছে। তারা একটা গণতান্ত্রিক মধ্যপন্থা টাইপের দল।
গণমাধ্যমকে রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ বলা হয়, যার মূল প্রাণশক্তি হলেন সাংবাদিকেরা। এই স্তম্ভের প্রধান দায়িত্ব হলো জনস্বার্থে বস্তুনিষ্ঠ তথ্য পরিবেশন, সমাজের অসঙ্গতি তুলে ধরা এবং ক্ষমতাকে জবাবদিহিতার আওতায় আনা।
বাংলাদেশের নেতৃত্বের আকাশে যে কয়জন নক্ষত্র ছিলেন বা আছেন, তাঁদের মধ্যে খালেদা জিয়া স্বমহিমায় একটি পৃথক স্থান করে নিয়েছেন। দীর্ঘ ৪০ বছরেরও বেশি সময় ধরে রাজনীতির বন্ধুর পথ হেঁটেছেন এবং তিল তিল করে নিজ মেধা, শ্রম, ত্যাগ এবং ভালোবাসা দিয়ে নিজের এমন একটি পোর্ট্রেট এঁকেছেন, যেটিকে বলা যায় তাঁর তুলনা তিনি নিজেই। সবকিছু ছাপিয়ে তিনি হয়েছেন গণতন্ত্রের কাণ্ডারি, তিনি হয়েছেন বাংলাদেশের ঐক্যের প্রতীক।
দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা ১৩তম গ্রেডে চাকরি করেন। জাতিকে পথ দেখানো এই কারিগরদের বেতন-ভাতা, মর্যাদা এবং পদোন্নতির সুযোগ অত্যন্ত সীমিত।
সম্প্রতি সরকার ‘আমানত সুরক্ষা অধ্যাদেশ ২০২৫’ জারি করেছে দেশের ব্যাংকিং খাতের অতি ক্ষুদ্র আমানতকারীদের অর্থের নিরাপত্তা বিধানের উদ্দেশ্যে। এই অধ্যাদেশের মাধ্যমে ব্যাংকে আমানতকারীদের অর্থ ফেরত পাওয়ার নিশ্চয়তা নির্ধারণ করা হয়েছে দুই লাখ টাকা, যা আগে ছিল মাত্র এক লাখ টাকা। এখন দেশের কোনো ব্যাংক অবসায়ন হলে আমানতকারীরা তাৎক্ষণিক দুই লাখ টাকা ফেরত পাবেন।
শিক্ষা প্রশাসনের কেন্দ্রবিন্দুতে চলছে এক অদ্ভুত নাটক। আমরা যারা মাঠের শিক্ষা নিয়ে ভাবি, তারা অবাক চোখে দেখছি, কিভাবে 'মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর' (মাউশি) ধীরে ধীরে একটি 'শিক্ষা ক্যাডার নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরে' রূপান্তরিত হয়েছে।
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের নিয়ে উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের কথায় কথায় বিরূপ মন্তব্য করার প্রবণতা যেন একটা ফ্যাশনে পরিণত হয়েছে।
প্রাথমিক সহকারী শিক্ষকদের ন্যায্য দাবি পূরণের বদলে সরকার যে দমনমূলক নীতি, শোকজ, ও দূরবর্তী বদলির পথ বেছে নিয়েছে, তা কেবল অগণতান্ত্রিকই নয়, বরং দেশের ভবিষ্যৎ শিক্ষার জন্য এক মারাত্মক অশনি সংকেত।
সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে ভর্তির প্রক্রিয়া নিয়ে চলমান বিতর্ক প্রতি বছরই নতুন মাত্রা যোগ করে।
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের লাগাতার কর্মবিরতি ও পরীক্ষা বর্জনের যে কঠিন পথ বেছে নিতে হয়েছে, তা কেবল আর্থিক অসন্তোষের বহিঃপ্রকাশ নয়, এটি মর্যাদা ও আত্মসম্মানের এক গভীর সঙ্কট।