অনেকেরই ওজন কমানোর চেষ্টা থাকে। কিন্তু শরীরচর্চা করেও অনেক সময় কোনও কাজ হয় না। কেউ আবার প্রায় সব খাওয়াদাওয়া ছেড়ে দিয়েও উপকার পান না।
ওজন
একবারে বেশি না খেয়ে বারে বারে (তিন থেকে চার ঘণ্টা পরপর) খাওয়ার অভ্যাস করতে হবে, যাতে শরীর প্রয়োজনীয় পরিমাণ শক্তি ও পুষ্টি পায়।
আমাদের প্রতিদিনের খাবারে একটি গুরুত্বপূর্ণ শব্দ হলো ফল। সুস্থ থাকার জন্য ও সঠিক পুষ্টি পেতে ফল রাখতে হবে পাতে। তবে তা খেতে হবে সঠিক পরিমাণে এবং সময় বুঝে।
অনেকেই হয়তো জানেন না, শুধুমাত্র ক্ষুধা নিবারণ করেও ওজন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব। এক্ষেত্রে অন্যতম কার্যকরী ফল পেঁপে।
ওজন হিসাব করেই গরুর দাম হাঁকাতে হয়। আপনি যত নিখুঁতভাবে ওজন নির্ধারণ করতে পারবেন, তত সহজে সাশ্রয়ী মূল্যে পশু ক্রয় করতে পারবেন।
শরীর সুস্থ সবল রাখতে, শরীরের নমনীয়তা ও স্ফুর্তি অটুট রাখতে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখাটা অত্যন্ত জরুরি।
অনেকেই মনে করেন, বয়স ৩০ পেরোলেই ওজন বৃদ্ধির আশঙ্কা তৈরি হয়। আসলেই কি ওজন বৃদ্ধির নির্দিষ্ট কোনো বয়স আছে?
ফলপ্রেমীরা গরমকালের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করেন। বাজারে গেলেই যে আম, কাঁঠাল, লিচু, সবেদা আর আনারসের হাতছানি। গ্রীষ্মের মৌসুমে বাজার থেকে থলিভর্তি ফল না কিনে আনলে মন ভাল হয় না! ফলের মতো স্বাস্থ্যকর খাবার খুব কমই আছে।
ভোলার মেঘনা নদীতে প্রায় সাড়ে ছয় মণ ওজনের একটি বিশাল আকৃতির মাছ ধরা হয়েছে। এর পর মাছটি বরিশাল মোকামে নিয়ে আট হাজার ৮০০ টাকা মনে বিক্রি করা হয়। মাছটি ‘হাউস মাছ’ বলেও পরিচিত।
খাওয়াদাওয়া নিয়ন্ত্রণ থেকে শরীরচর্চা— খেয়াল রাখতে হয় সব দিকেই। কিন্তু কেউ যদি আপনাকে বলেন ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে ওজন ঝরিয়ে ফেলা যায়, তার চেয়ে বড় সুখবর আর কী বা হতে পারে! ছেলেবেলায় মায়েরা বলতেন, বেশি ঘুমোলে নাকি মোটা হয়। তা হলে কোনটা ঠিক?