গরমের মৌসুমে পাকা আম দিয়ে তৈরি বিভিন্ন মজাদার পদ সবাই খুব পছন্দ করেন। এর মধ্যে আমের ফালুদা একটি জনপ্রিয় ডেজার্ট, যা দেখলেই জিভে পানি চলে আসে।
- জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু করলেন পপতারকা দুয়া লিপা
- * * * *
- বংশালে ঈদের ছুটির পর দোকান খুলে সুইচ দিতেই আগুন, দগ্ধ ৩ কর্মচারী
- * * * *
- দেউলিয়া হচ্ছে চীনের সোলার কোম্পানিগুলো?
- * * * *
- নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে সরকারের : জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী
- * * * *
- সিলেটে হাম উপসর্গ নিয়ে এ পর্যন্ত ৬১ শিশুর মৃত্যু
- * * * *
গরমে
গ্রীষ্মকাল এলেই বাজারে রসালো ও সুস্বাদু তালের শাঁসের দেখা মেলে। কচি তাল ভেঙে বের করা স্বচ্ছ, নরম এই শাঁস শুধু স্বাদের জন্যই নয়, পুষ্টিগুণের কারণেও বেশ জনপ্রিয়।
এই গরমে এক গ্লাস আইস টি শরীরকে ঠান্ডা ও সতেজ রাখে। শুধু পিপাসা মেটানোই নয়, আইস টি শরীরকে ভেতর থেকে রিফ্রেশ করে, ক্লান্তি কমায় এবং মনকেও হালকা করে তোলে।
গরমের দিনে অনেকেই ঠান্ডা ও মিষ্টি কিছু খেতে পছন্দ করে। আর পায়েস তো এমনিতেই সবার প্রিয় মিষ্টান্ন। সেই চিরচেনা পায়েস যদি হয় লিচু দিয়ে তৈরি, তাহলে স্বাদ আর সতেজতায় যেন একেবারে নতুন মাত্রা যোগ করে।
গরমে ও বৃষ্টিতে পানিদূষণের ঝুঁকি বাড়ে, পানিবাহিত রোগজীবাণুর সংক্রমণও বাড়ে। গরমে পিপাসা পায় বলে আমরা প্রায়ই বাইরের পানীয় বা খাবার খাই। তা ছাড়া গরমে দ্রুত খাবারে পচন ধরে।
মাছে ভাতে বাঙালি, এই কথাটির মধ্যেই লুকিয়ে আছে আমাদের খাদ্যাভ্যাসের পরিচয়। প্রতিদিন না হলেও অন্তত এক বেলা মাছ খাওয়া অনেকের কাছেই স্বাভাবিক ব্যাপার।
গ্রীষ্মের তীব্র গরমে শরীর সুস্থ রাখতে শসা একটি উপকারী খাদ্য হিসেবে বিবেচিত। ভাত, রুটি বা মুড়ির সঙ্গে কয়েক টুকরো শসা বাঙালির খাদ্যতালিকায় প্রায় অপরিহার্য।
প্রচণ্ড গরমে শরীর যখন ক্লান্ত আর অবসন্ন, তখন এক গ্লাস ঠান্ডা বেলের শরবত এনে দেয় স্বস্তি। প্রাকৃতিকভাবে শীতলকারী এই পানীয় শুধু তৃষ্ণা মেটায় না, বরং শরীরকে ভেতর থেকে ঠান্ডা রাখতেও সহায়তা করে।
রাজধানী ঢাকা ও আশপাশের এলাকায় গরমের দাপট অব্যাহত থাকতে পারে বলে আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। তবে বৃষ্টি হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি। এছাড়াও অপরিবর্তিত থাকবে রাতের তাপমাত্রা।