ইসরায়েলি বিমান হামলায় গাজা শহরের আল-আহলি আরব হাসপাতালে শত শত ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। ধারণা করা হচ্ছে যে কমপক্ষে ৫০০ ফিলিস্তিনি মারা গেছেন।
- হেরে যাওয়ার পরও কৌশলগত সিদ্ধান্তে অটল টুখেল
- * * * *
- আওয়ামী লীগ ছাড়লেন মাদারীপুরের ইউপি চেয়ারম্যান অমিত ও ৯ সদস্য
- * * * *
- জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে কুমারখালী উপজেলা বিএনপির সংবাদ সম্মেলন
- * * * *
- ইরানে একদিনে দুই দফা হামলা, ক্ষেপণাস্ত্র মেরে ট্যাংকার অচল
- * * * *
- জলাবদ্ধতায় হাসপাতালে নেওয়া যায়নি, ঘরেই সন্তানসহ প্রাণ হারালেন প্রসূতি
- * * * *
গাজা
বরাবরের মত আবারও ইসরায়েলের ভয়াবহ হামলার শিকার হয়েছেন ফিলিস্তিনের গাঁজা উপত্যকার মানুষ। নৃশংস হামলা থেকে রেহাই পায়নি নারী, শিশু কেউই।
গাজায় ইসরায়েলের ক্রমাগত হামলায় মানবিক সংকট চরম আকার ধারণ করেছে। খাবার এবং সুপেয় পানির জন্য সেখানে হাহাকার চলছে। গাজায় বসবাস করা এক তরুণী জানান, এখানে বসবাস করার মতো কোনো অবস্থা নেই।
ইসরাইলি হামলায় গাজার ধ্বংস হওয়া ভবনগুলোর ধ্বংসস্তূপের নিচে এক হাজারেরও বেশি মানুষ আটকা পড়েছে বলে জানিয়েছে ফিলিস্তিনি নাগরিক প্রতিরক্ষা দল।
পাকিস্তানের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জলিল আব্বাস জিলানি অবরুদ্ধ গাজায় ইসরাইলি বোমা হামলার নিন্দা জানিয়েছেন।
গাজার দক্ষিণের শহর খান ইউনিসের ওপর দিয়ে যেন মানবেতর পরিস্থিতির জোয়ার বয়ে যাচ্ছে। শত-সহস্র মানুষ গাজার উত্তরাঞ্চল থেকে যে যা কিছু বহন করতে পেরেছে, তা নিয়ে এখানে পালিয়ে এসেছে।
অবশেষে ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় বিমান হামলা বন্ধ করেছে ইসরায়েল।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেছেন, হামাসকে অবশ্য ধ্বংস করতে হবে। তবে একটি 'ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পথও' থাকতে হবে। সিবিএসের ৬০ মিনিটস অনুষ্ঠানে আজ সোমবার (যুক্তরাষ্ট্রের সময় রোববার) এই মন্তব্য করেন।
ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠী হামাসের সঙ্গে ইসরায়েলের চলমান সংঘর্ষে গাজায় সাতদিনে অন্তত ১০ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা (ইউএনআরডব্লিউএ)।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইসরাইলি বিমান হামলায় এ পর্যন্ত কমপক্ষে ২৮ জন চিকিৎসাকর্মী প্রাণ হারিয়েছেন। ইসরাইলের গোলাবর্ষণ ও বিমান হামলায় গাজায় ১৫টি হাসপাতাল বিধ্বস্ত হয়েছে, আরো দুটি হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়ার মতো পরিস্থিতি আর নেই।