শীতকালকে বলা হয় সবজির সিজন। তাই এই সময় সবজি দিয়ে বানাতে পারেন হরেক রকমের মজাদার রেসিপি।
রেসিপি
বরই বা কুল পছন্দ করেন না-এমন মানুষ বোধহয় খুঁজে পাওয়া কঠিন। কাঁচা হোক বা পাকা, সব ধরনের বরই খেতেই সুস্বাদু।
শীত সিজনে সবজি বাজারের সবচেয়ে আকর্ষণীয় অতিথি সিমের বিচি। প্রোটিনসমৃদ্ধ, স্বাদে নরম আর রান্নায় বহুমুখী—ঠিকমতো রান্না করলে এটি যে কোনও ভাতের পাতে রাজকীয় সংযোজন।
শীতের বাজারে তাজা মটরশুঁটি সহজেই পাওয়া যায়। এ সময় মটরশুঁটি দিয়ে নানা ধরনের রান্না করে খাবারে নতুন স্বাদ আনা যেতে পারে।
মাংস ছাড়াও যে রান্না হতে পারে ভরপুর, সমৃদ্ধ আর রাজকীয় তার প্রমাণই ফুলকপির কিমা। মরসুমি এই সাধারণ সবজিকে রাঁধুনের যত্নে আর মশলার সঠিক ব্যবহারে রূপ দেওয়া হয়েছে এমন এক পদে, যেখানে স্বাদের গভীরতায় কোনো ঘাটতি নেই।
পোলাও মানেই লোভনীয় স্বাদ। বাড়িতে হঠাৎ অতিথি এলে কিংবা যেকোনো আপ্যায়নে রাখতে পারেন তাওয়া চিকেন পোলাও। ওয়ান পট ডিশ হিসেবে এটি হতে পারে আপনার স্মার্ট পছন্দ। অল্প সময়ে এই রান্না সেরে নিতে পারবেন।
শীতের পিঠা মানে কেবল খেজুর গুড়ের মিষ্টি স্বাদ নয়, এসময় ঝাল স্বাদের অনেক পিঠাও খাওয়া হয়। শীতের সন্ধ্যায় গরম গরম চাপটি পিঠা আর ঝাল কোনো ভর্তা হলে জমে যায় বেশ। এই পিঠা তৈরি করা যাবে শুকনো চালের গুঁড়া দিয়েও। বাড়ির সবার জন্য ঝটপট তৈরি করে নিতে পারবেন।
নরম, সুগন্ধি আর মসলার ঝাঁঝে ভরা গালুটি কাবাব মানেই রাজকীয় স্বাদের এক বিশেষ পদ। তবে অনেকেই মনে করেন, এই কাবাব বানানো বুঝি বেশ ঝামেলার কাজ।
শীতে রান্নাঘরে মটরশুটির আলাদা কদর থাকে। সহজলভ্য হওয়ায় মাছ, পোলাও কিংবা সবজির তরকারিতে এটি প্রায় সব জায়গায় ব্যবহার হয়।
পরোটা তৈরি করা যায় নানাকিছু দিয়ে। আপনি নিশ্চয়ই আলু পরোটা কিংবা কিমা পরোটা খেয়েছেন? তবে চাইলে সবজি দিয়ে তৈরি করতে পারেন সুস্বাদু পরোটা। এটি তৈরি করতে খুব বেশি সময় লাগে না, আবার উপকরণও লাগে কম। সকাল কিংবা বিকেলের নাস্তায় তৈরি করতে পারেন সবজি পরোটা।