প্রাচীনকাল থেকেই চুলের যত্নে তিলের তেল ব্যবহৃত হয়ে আসছে। আয়ুর্বেদেও এই তেলকে চুলের জন্য পুষ্টিদায়ক বলা হয়। তিলের তেল চুল ও মাথার ত্বকের গভীরে পুষ্টি জোগাতে বিশেষভাবে সাহায্য করে। তবে ভুলভাবে এই তেল ব্যবহার করলে উপকারের বদলে ক্ষতিও হতে পারে।
- কামরাঙ্গীরচরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে শিশুর মৃত্যু
- * * * *
- ভারতীয় সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া তাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়, বিজিবি সতর্ক: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
- * * * *
- ধান আনতে গিয়ে বজ্রপাতে কৃষাণীর মৃত্যু
- * * * *
- কুমিল্লায় সড়ক নির্মাণ নিয়ে বিরোধে খুনের ঘটনায় মামলা
- * * * *
- শেরপুরে ভারতীয় মদ উদ্ধার, উপজেলা কৃষক লীগ সভাপতির ছেলেসহ গ্রেফতার ৩
- * * * *
চুলের
চুল পড়া নিয়ে দুশ্চিন্তা মানেই প্রশ্ন একটাই—মানসিক চাপ চুল পড়ার কারণ, নাকি চুল পড়ার কারণেই মানসিক চাপ বাড়ে? এই বিতর্ক যেমন আছে, তেমনই চুল ঝরা কমানোর নানা ঘরোয়া উপায়ের দাবিও ঘুরে বেড়ায় সামাজিক মাধ্যমে।
শীত হোক কিংবা গ্রীষ্ম— সারা বছরই চুলে অল্প করে তেল মালিশ করতে বলেন কেশসজ্জা ও কেশচর্চাশিল্পীরা।
শীত এলেই বইতে শুরু করে ঠান্ডা হাওয়া। শুষ্ক আবহাওয়া আর কম আর্দ্রতার কারণে ত্বক হয়ে ওঠে রুক্ষ। বেড়ে যায় খুশকির পরিমাণও। অনেকের ক্ষেত্রেই খুশকি এতোটাই বেড়ে যায় যে তার জেরে দেয় মাথা চুলকানো, চুল পড়া এমনকি ইনফেকশন।
চোখের নিচের কালো দাগ দূর করতে আলুর রসের বিকল্প নেই। অনেকেই এই ঘরোয়া উপায় ব্যবহার করেন।
শীতকালে চুলের নানা সমস্যা বেড়ে যায়—চুল শুষ্ক হয়ে পড়ে, খুশকি বাড়ে, রুক্ষভাব ও ভাঙার প্রবণতাও বৃদ্ধি পায়।
ফিশ অয়েল বা মাছের তেল আসে তেলযুক্ত মাছের টিস্যু থেকে। এতে থাকে ওমেগা–৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, বিশেষ করে, ইকোসাপেনটাইনোয়িক অ্যাসিড (ইপিএ) এবং ডোকোসাহেক্সাইনোয়িক অ্যাসিড (ডিএইচএ)।
চিরুনি দিয়ে আঁচড়ালেই উঠছে মুঠো মুঠো চুল। সেসঙ্গে মাথার ত্বক হয়ে গেছে অতিরিক্ত তৈলাক্ত। হারিয়েছে চুলের জেল্লাও। এমন সমস্যাগুলো দেখা দিলে চুলের বাড়তি যত্ন নেওয়া জরুরি। শ্যাম্পু, তেল ব্যবহার করলেই চলবে না। প্রয়োজন সঠিক পুষ্টিও।
চুল ঝরা, পাতলা হয়ে যাওয়া, অকালপক্বতা রোধ করতে জবা ফুল বেশ ভালো কাজ করে। জবা ফুলে থাকা অ্যামাইনো অ্যাসিড চুলে কেরাটিন প্রোটিনের উৎপাদন বাড়িয়ে তোলে।
তবে চুলের যত্নেও গোলাপ জল ব্যবহারের উপকারিতা গোলাপ জল চুলের আর্দ্রতা বজায় রাখে ও মাথার ত্বকের সমস্যা কমায়।