পটুয়াখালীর মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র মহিপুর ঘাটে মিললো ১৮ কেজির টুনা মাছ (লং ফিন টুনা)। আব্দুস সাত্তার নামের এক মাঝি মাছটিকে মহিপুর মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে বিক্রি করতে নিয়ে আসেন।
ইলিশ
সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে অবস্থানরত বাংলাদেশি প্রবাসীদের জন্য ১১ হাজার মেট্রিক টন ইলিশ রপ্তানি করবে সরকার।
ইলিশ নিয়ে হা-হুতাশের শেষ নেই। নিম্ন আয়ের মানুষ তো দূরে, নিম্ন মধ্যবিত্ত বা মধ্যবিত্তেরও প্রায় নাগালের বাইরে জলের এই রুপালি শস্য। চড়া দামের কারণে অনেকে ইলিশের স্বাদ ভুলতে বসেছেন। এমন পরিস্থিতিতে রাজধানীবাসীকে কম দামে ইলিশের স্বাদ দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন করপোরেশন (বিএফডিসি)। সংস্থাটি ৪৫০ গ্রাম থেকে ৮৫০ গ্রাম ওজনের ইলিশ বিক্রি করবে কেজিপ্রতি ৬০০ টাকায়।
বর্তমানে গভীর সমুদ্রে ইলিশের দেখা নাই। কিন্তু হঠাৎ পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে এক জেলের জালে মিললো ১৯৫ মণ ইলিশ।
চাঁদপুর শহরের পালবাজার সংলগ্ন ব্রিজ এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১ হাজার ৬০০ কেজি (৪০ মণ) জাটকা জব্দ করেছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড।
বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলায় ১৮০ মণ জাটকা ইলিশ, ১২ লাখ মিটার কারেন্ট জাল ও দুটি ট্রলারসহ ১০ জেলেকে আটক করেছে কোস্টগার্ড। রোববার দুপুরে বঙ্গোপসাগর থেকে ফেরার পথে পানগুছি নদীর ছোলমবাড়িয়া এলাকায় মাছসহ জেলেদের আটক করা হয়।
ইলিশ মাছের ডিম খেতে সবাই পছন্দ করেন। ইলিশের ডিম ভাজি বা এর তরকারি সুস্বাদু হলেও এর ভর্তা কিন্তু দুর্দান্ত।
টানা ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষে রোববার মধ্যরাত থেকে আবারও ইলিশ শিকারে নেমেছেন ভোলাসহ উপকূলের জেলেরা। সাধারণত ভোলা ও বরিশালের বিভিন্ন মাছঘাটে প্রতিদিন ৬০০-৭০০ মণ ইলিশ আসে,
ইলিশের প্রজনন রক্ষায় ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষ হয়েছে রোববার মধ্য রাতে। এরপরই চাঁদপুরের পদ্মা-মেঘনা নদীতে ইলিশসহ অন্যান্য মাছ ধরতে নামেন জেলেরা। নদী থেকে ধরে আনা ইলিশ বিক্রি করার জন্য তারা নিয়ে আসছেন উপকূলীয় আড়তে। ফলে পুরোনো রূপে ফিরেছে ইলিশের আড়তগুলো। ক্রেতা-বিক্রেতায় হয়ে উঠেছে সরগরম।
চাঁদপুরের পদ্মা-মেঘনা নদীর বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে জেলা ও উপজেলা টাস্কফোর্স। শেষ মুহূর্তে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মা ইলিশ শিকার করার দায়ে ২৭ জেলেকে গ্রেপ্তার করা হয়।