ধোঁয়া ওঠা এক মগ কফি নিমেষেই আমাদের চনমনে করে দিতে পারে। তবে অতিরিক্ত কফি খাওয়ার অভ্যাস কিন্তু আপনাকে ফেলতে পারে স্বাস্থ্যঝুঁকিতে।
খেলে
ড্রাগন ফলের সৌন্দর্যে সবাই মুগ্ধ। এটি দেখতেও যেমন সুন্দর, খেতেও অসাধারণ। এ কারণে অনেকেই নিয়মিত খান ফলটি। তবে অতিরিক্ত কোনো ফল খাওয়াই ভালো নয়।
শরীরের বাড়তি ওজন কে না কমাতে চান। কিন্তু কিছুতেই যেনো ওজন কমছে না। কিন্তু কীভাবে সেই কাজে সাফল্য পাবেন, সেই কৌশল জানেন না।
বাঙালি রান্নায় কিশমিশের ব্যবহার দেখা যায়। বিশেষত পায়েস কিংবা পোলাও রান্না করলে তাতে এই উপাদানটি মেশালে স্বাদ বেড়ে যায় বহুগুণ। অনেকেই আবার কিশমিশ খান সুস্বাস্থ্যের জন্য। এটি শরীরে শক্তি জোগায়, হাড় মজবুত করে।
বাঙালির রান্নাঘরে শাকের কোনো কমতি নেই। পালং শাক, কলমি শাক, লাল শাক, পুঁই শাক, কচু শাক, সর্ষে শাক, পাট শাক কোনটা ছেড়ে কোনটা খাবেন।
মুড়ি— গ্রাম বা মফস্বলের মানুষের কাছে অতি পরিচিত একটি খাবার। এমনটাই ভাবেন বেশিরভাগ মানুষ। তবে জানলে অবাক হবেন, কেবল বাংলাদেশ বা ভারত নয়, আমেরিকা,
কোরবানির ঈদে কম-বেশি সবাই গরুর মাংস খেয়ে থাকেন। আর ভোজনরসিকদের মাংস খাওয়ার মাত্রা বেশি হয়ে যায়। গরুর মাংসের অনেক উপকারিতা থাকলেও এটি খেতে হবে পরিমিত পরিমাণে।
চায়ের সঙ্গে ঝটপট নাস্তা হিসেবে এক প্যাকেট বিস্কুট হলেই যথেষ্ট অনেকের জন্য। কিন্তু চায়ের সঙ্গে বিস্কুট খাওয়া উপকারী নয় বলে দাবী করা হয়। আসলেই কি তাই? আপনারও যদি এই অভ্যাস থাকে অর্থাৎ নিয়মিত চায়ের সঙ্গে
পান খাওয়ার অভ্যাস আছে অনেক নারী পুরুষেরই। শুধু পান তো নয়, এর সঙ্গে চুন, সুপারি, খয়ের, বিভিন্ন ধরনের জর্দা ইত্যদি মিশিয়ে পান খান অনেকেই। আর এতেই বাড়ে নেশা।
অনেক সময় তাড়াহুড়ার কারণে কেউ কেউ দ্রুত খাবার খান। কারও আবার সবসময়েই দ্রুত খাওয়ার অভ্যাস। সেক্ষেত্রে দেখা যায়, অন্যরা খেতে বসার আগেই দেখা যায় তার খাওয়া শেষ।