বর্ষাকালে ইলিশ খাওয়ার ধুম পড়ে যায় ঘরে ঘরে। যদিও ইলিশের দাম বেশ চড়া, তবুও এই মাছের স্বাদ নিতে একদিনের জন্য হলেও অনেকেই বাজার থেকে বড় মাপের ইলিশ কিনে ঘরে ফেরেন। শুধু ইলিশের সুস্বাদু পদ খাওয়ার জন্য।
রেসিপি
মাছে ভাতে বাঙালির আখ্যা থাকলেও অনেকেই মাছ খেতে পছন্দ করেন না। বছরে ইলিশ মাছের স্বাদ একবার নিলেও অন্যান্য মাছ ছুঁয়েও দেখেন না।
ছোট-বড় সবারই পছন্দের এক ফাস্টফুড হলো চিকেন স্যান্ডউইচ। ছোট খিদের বড় সমাধান এটি। বেশিরভাগ মানুষই ফাস্টফুডের দোকান কিংবা রেস্টুরেন্ট থেকে কিনে খান মজার এই খাবার।
তিল শরীরের জন্য খুবই উপকারী। স্বাসচেতনদের কাছে এই ছোট বীজ সুপারফুড হিসেবে বিবেচিত। এতে থাকে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও স্বাস্থ্যকর ফ্যাটি অ্যাসিড। যা শরীরের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করে। নিয়মিত তিল খাওয়ার অনেক উপকার।
গরম ভাতে সুস্বাদু ভর্তার কোনো পদ হলে আর কথা নেই! গপাগপ কখন যে সাবাড় হয়ে যাবে, টেরই পাবেন না! ভর্তা মানেই জিভে জল।
কাবাব খেতে কমবেশি সবাই পছন্দ করেন। বিভিন্ন উৎসব থেকে শুরু করে ঘরোয়া অনুষ্ঠান সবখানেই পাতে কাবাব না থাকলে অনেকেরই চলে না।
আয়রনের দারুণ উৎস খেজুর। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ফাইবার, ক্যালসিয়াম ও পটাশিয়ামও মেলে উপকারী ফলটি থেকে।
বাজারে কচুর মুখী সারাবছরই কম বেশি পাওয়া যায়। কচুর মুখী দিয়ে ভর্তা থেকে শুরু করে ঘণ্ট, ডাল ইত্যাদি তৈরি করে খান অনেকেই।
টুনা মাছ দিয়ে বিভিন্ন ধরনের রেসিপি রান্না করা হয়। এটি শরীরের প্রোটিনের চাহিদা পূরণ করে, দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখে। দৈনিক চাহিদা মেটাতে প্রতি পাউন্ড ওজনে ০.৩৬ গ্রাম প্রোটিন সরবরাহ করে টুনা।
ডিম দিয়ে তৈরি রেসিপি সকলেরই পছন্দের। আর সেটা যদি হয় কাবাব তাহলে তো কথাই নেই। আপনি ডিম দিয়ে একটি সুস্বাদু কাবাব তৈরি করতে পারেন।