ঘরকে ইবাদত, পারিবারিক সৌহার্দ্য ও প্রশান্তির কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে শিক্ষা দিয়েছে ইসলাম। রাসুলুল্লাহ (স.) ঘরে প্রবেশের সময় কিছু আদব ও সুন্নাহ পালনের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন। এই আমলগুলো পরিবারে যেমন ভালোবাসা ও শৃঙ্খলা বৃদ্ধি করে, তেমনি ঘরকে শয়তানের কুপ্রভাব থেকে মুক্ত রেখে আল্লাহর রহমত টেনে আনে।
লাইফস্টাইল
আতঙ্ক যেন দেশবাসীর পিছুই ছাড়ছে না। ডেঙ্গু নিয়ে ভয়ে দিন কাটাতে কাটাতে দুয়ারে এসে হাজির হাম। হঠাৎ মাথাচাড়া দিয়ে ওঠা রোগটি ইতোমধ্যেই কেড়ে নিয়েছে শ’ কয়েক শিশুর প্রাণ। আরও অসংখ্য শিশু লড়ছে হামের উপসর্গের সঙ্গে। এরইমধ্যে আতঙ্কের খাতায় যোগ হয়েছে নতুন নাম।
অনেকের বাথরুমেই গোসলের জন্য কাচে ঘেরা আলাদা ঘর রয়েছে। সমস্যা হলো এই শাওয়ার গ্লাস কয়েকদিন পরপরই ঝাপসা আর নোংরা হয়ে যায়। বারবার পরিষ্কার করার পরও এই কাচ পরিষ্কার হতে চায় না। আসলে এর প্রধান কারণ হার্ড ওয়াটারের প্রভাব।
গ্রীষ্মের এই প্রচণ্ড গরমে এসির ঠান্ডা বাতাস যেমন অনেকটা স্বস্তি দিতে পারে, তেমনি এটি আপনার ত্বক ও স্বাস্থ্যের ক্ষতিও করতে পারে। একটি সহজ পদ্ধতি ব্যবহার করেই এই ক্ষতি থেকে রক্ষা পেতে পারেন।
বেখেয়ালে অনেকসময় শরীরের বিভিন্ন অংশে হাত দিই আমরা। কখনো চোখে, কখনো মুখে। আবার কখনো কখনো হাত দিয়ে গা চুলকাই। শরীরের সর্বত্র কিন্তু এক ধরনের জীবাণু থাকে না। ফলে এক জায়গার জীবাণু শরীরের অন্য জায়গায় ছড়িয়ে পড়লে নানা ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে।
গ্রীষ্মকালে শুষ্কতা ও গরম বেড়ে যাওয়ার ফলে হজম ব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়ে। আমাদের এমন খাবার খাওয়া উচিত যা সহজে হজম হয়। যে খাবারগুলো শরীরের তাপ কমাতে পারে, সেগুলো গ্রীষ্মকালে সুপারফুড হিসেবে গণ্য হয়।
হিট স্ট্রোক ও ডিহাইড্রেশন—তীব্র গরমে দুটো সমস্যাই অনেক বেশি দেখা যায়। প্রচণ্ড গরমে ঘুরলে বেড়ে যায় হিট স্ট্রোকে ঝুঁকি। আবার অত্যধিক ঘামের কারণে শরীর হয়ে পড়ে পানিশূন্য। দুটো সমস্যাই তীব্র অস্বস্তির জন্ম দেয়। কিন্তু অনেকেই বুঝতে পারেন না, ডিহাইড্রেশনে ভুগছেন না কি হিট স্ট্রোকে? এই দ্বন্দ্বে কী করা উচিত নাও বোঝেন না।
গরমে একগ্লাস ঠান্ডা লাচ্ছি হলে আর কী চাই! তার সঙ্গে যদি যোগ হয় মালাই, তাহলে তো কথাই নেই। অল্প কয়েকটি উপকরণ দিয়ে ঘরে বসে খুব সহজেই তৈরি করে নিতে পারবেন মালাই লাচ্ছি।
দীর্ঘস্থায়ী কোষ্ঠকাঠিন্য একটি সাধারণ, কিন্তু উপেক্ষিত হজম সংক্রান্ত সমস্যা যা নানাভাবে প্রভাব ফেলে। যদিও বেশিরভাগ মানুষই মাঝে মাঝে কোষ্ঠকাঠিন্যে ভোগেন। কিন্তু দীর্ঘস্থায়ী কোষ্ঠকাঠিন্য আরও বেশি স্থায়ী এবং এটি কোনো অন্তর্নিহিত স্বাস্থ্য সমস্যার ইঙ্গিত দিতে পারে।
শরীরের অন্যান্য অঙ্গের তুলনায় মস্তিষ্ক গ্লুকোজের ওপর প্রায় পুরোপুরি নির্ভরশীল। সমস্যা হলো এই অঙ্গটি নিজে গ্লুকোজ তৈরি করতে কিংবা জমা রাখতে পারে না। ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা বা ব্লাড সুগার হঠাৎ কমে গেলে মস্তিষ্ক কাজ করা বন্ধ করে দেয়। চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় একে ‘হাইপোগ্লাইসেমিয়া’ বলে।
একঘেয়ে লুক বদলাতে হেয়ার কালার বা রং করা এখন বেশ জনপ্রিয়। তবে এই রঙের আড়ালে থাকা রাসায়নিক চুলে মারাত্মক প্রভাব ফেলতে পারে। অনেকেই অভিযোগ করেন, রং করার পর চুল ক্রমশ খড়খড়ে, রুক্ষ ও প্রাণহীন হয়ে পড়ছে।
ধানমন্ডির একটি সুসজ্জিত সেন্টারে পিনপতন নীরবতা। এটি কোনো লাইব্রেরি নয়, এটি ‘জিম’। তবে এখানে লোহার ডাম্বেল বা ট্রেডমিলের ঝনঝনানি নেই; আছে স্নিগ্ধ সুর, ধূপের ঘ্রাণ আর গভীর শ্বাস-প্রশ্বাসের এক অদ্ভুত প্রশান্তি। সদস্যরা এখানে ঘাম ঝরিয়ে ক্যালরি পুড়াতে আসেননি; এসেছেন মনের ওপর জমে থাকা যান্ত্রিক জীবনের ‘মেদ’ ঝরিয়ে নিজেকে নতুন করে চিনতে।
ব্যস্ত নাগরিক জীবনে সময়ের অভাব এবং আধুনিক রেস্তোরাঁ সংস্কৃতির বিস্তারে আমাদের বিকেলের নাস্তার ধরন অনেক বদলে গেছে। এখনকার ব্যস্ত বিকেলে পিৎজা, বার্গার কিংবা ফ্রেঞ্চ ফ্রাই এক নতুন বাস্তবতা। তবে খুব বেশিদিন আগেও বিকেলের নাস্তা মানেই ছিল ঘরে তৈরি দেশি স্বাদের আয়োজন।
প্রায় প্রতিটি রান্নাঘরে ময়দা নীরবে জায়গা করে নেয়। যা আমাদের রান্নায় এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। জন্মদিনের কেক, রুটি থেকে শুরু করে মজাদার পরোটা এবং মুচমুচে নাস্তা পর্যন্ত, এই একটি উপাদানই যেন সবকিছু করে দেয়।
পহেলা বৈশাখ মানেই পান্তা-ইলিশের ধুম। তবে পান্তা ভাত কেবল উৎসবের খাবার হিসেবে সীমাবদ্ধ নেই; পুষ্টিবিদদের মতে, এটি সারা বছর খাওয়ার মতো একটি আদর্শ খাবার। বিশেষ করে তীব্র দাবদাহে শরীর ঠাণ্ডা রাখতে এবং তাৎক্ষণিক শক্তি জোগাতে পান্তা ভাতের বিকল্প নেই।
গরম পড়লেই অনেকেই কিছু খাবার নিয়ে দ্বিধায় পড়েন - তার মধ্যে বাদাম অন্যতম। বাদাম খেলে শরীর গরম হয়, তৃষ্ণা বেশি লাগে - এমন ধারণা বেশ প্রচলিত।