লিকুইড পেট্রোলিয়াম গ্যাস—সংক্ষেপে এলপিজি—এখন দেশের প্রায় প্রতিটি পরিবারের রান্নাঘরের নিত্যসঙ্গী।
লাইফস্টাইল
গরম পুরোপুরি শুরু না হলেও তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অনেক ঘরেই নিয়মিত ব্যবহার হচ্ছে এসি।
সকালে খালি পেটে আদার পানি খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য বেশ উপকারী হতে পারে। আদা প্রাচীনকাল থেকেই নানা ধরনের ভেষজ চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
আধুনিক জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে মোবাইল ফোন ও কম্পিউটার স্ক্রিন। কিন্তু এই প্রযুক্তি নির্ভরতার আড়ালে নীরবে বাড়ছে এক স্বাস্থ্যঝুঁকি। এর নাম চোখের শুষ্কতা বা ড্রাই আই সিন্ড্রোম। বিশ্বজুড়ে দ্রুত বাড়তে থাকা একটি চোখের সমস্যায় পরিণত হয়েছে এটি।
গরমে জীবনে হয়ে উঠেছে অসহনীয়। তৃষ্ণার্ত মানুষ যেন হয়ে গেছে চাতক পাখি। পানি ঠিকই খাওয়া হয়, কিন্তু তৃপ্তি মেটে না। ফ্রিজের ঠান্ডা পানি খেলে বাড়ে ঠান্ডা-জ্বরের আশঙ্কা। এমন পরিস্থিতিতে আপনার বন্ধু হতে পারে মাটির কলসি।
বছরের পর বছর ধরে আমরা সবাই একই রূপচর্চার পরামর্শ শুনে আসছি- উজ্জ্বল ত্বকের জন্য বেশি করে পানি পান করুন। এটা শুনতে নিরীহ এবং বেশ বিশ্বাসযোগ্য মনে হয়, তাই না? আসলে, এই কৌশলটি সম্ভবত কাজ করে, কিন্তু আমরা যেভাবে আশা করি সেভাবে অবশ্যই নয়।
গরমে তৃষ্ণা মেটাতে অনেকেই আখের রস খান। রাস্তার পাশে মেলা ঠান্ডা আখের রস তাৎক্ষনিক সতেজতা দেয়। কমায় ক্লান্তিও। কিন্তু সবার জন্য এটি উপকারি নাও হতে পারে। আখের রসে প্রাকৃতিক চিনির পরিমাণ খুব বেশি থাকে। তাই কিছু রোগ থাকলে এই রস পান করা বিপদের কারণ হতে পারে।
পোড়া আনারসের মিষ্টি ও হালকা কারামেলযুক্ত স্বাদ শুধু চোখে না, ভেতরে পর্যন্ত আনন্দ জাগায়। গরম গরম খেলে প্রতিটি কামড় যেন মুখে নাচ শুরু করে।
সাধারণ সয়াবিন দিয়েও যে তৈরি করা যায় মজাদার, পুষ্টিকর এবং একেবারে ভিন্ন স্বাদের একটি পদ তা অনেকেই জানেন না।
বাজারে চলে এসেছে কাঁচা কাঁঠাল বা এঁচোড়। শুধু এঁচোড়ের তরকারি বাসায় রান্না করেছেন অনেকেই, কিন্তু অল্প একটু গরুর মাংস এর স্বাদ বাড়িয়ে দিতে পারে কয়েক গুণ।
কাঁচা আম দিয়ে বিভিন্ন স্বাদের আচার তৈরি করে রাখছেন নিশ্চয়ই? আপনি চাইলে কাঁচা আমের জেলিও তৈরি করতে পারেন। হ্যাঁ, ঠিকই শুনেছেন।
চৈত্র-বৈশাখ মানেই মাথার ওপর আগুনের হলকা! যাদের বাড়ি টপ ফ্লোরে বা একতলা, রোদ উঠলে তাদের ছাদ যেন গরম তাওয়া হয়ে যায়।
দিনের শুরুতে এক কাপ কফি অনেকের জন্যই এনার্জির উৎস। এটি শরীরকে চাঙা যেমন করে, সঙ্গে কাজের গতিও বাড়ায়।
গরমের দিনে ভারী ও তেল-ঝালযুক্ত খাবারের বদলে হালকা, সহজপাচ্য কিছু খেতে ইচ্ছা করে। বিশেষ করে দুপুরে ভাতের সঙ্গে এমন কোনো পদ থাকলে তৃপ্তি মেলে।
তীব্র গরমে হাঁসফাঁস করছে চারপাশ। সূর্যের তাপে ক্লান্ত শরীর আর মন, এই সময় এক গ্লাস ঠান্ডা পানীয়ই যেন এনে দেয় স্বস্তির পরশ।
হাইপারহাইড্রোসিস হলো এমন এক সমস্যা, যেখানে স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি ঘাম হয়। এই ঘাম সব সময় গরম বা ব্যায়ামের কারণে হয় না। এই সমস্যায় এত বেশি ঘাম হতে পারে যে কাপড় ভিজে যায়। হাত থেকেও ঘাম ঝরতে পারে।