প্রায় সময়েই দেখা যায় মাছের লেজ বা মাছ অনেকদিন ধরেই পড়ে আছে ফ্রিজারে। সেগুলো দিয়ে রান্না করে ফেলতে পারেন ঝুরা মাছ।
রেসিপি
শীত আসতেই অনেকে বাহারি ধরনের পিঠা খাওয়া শুরু করেছেন। এ মৌসুমে ঘরে ঘরে পিঠা তৈরির ধুম পড়ে যায়। শীতের বাহারি পিঠার মধ্যে চিতই পিঠা অন্যতম।
পাকোড়া তো খেয়েছেন অনেক ধরনের। তবে এই শীতে তৈরি করতে পারেন ফুলকপির পাকোড়া। বিকেলের নাস্তায় এটি হতে পারে আদর্শ একটি খাবার। সেজন্য খুব একটা কষ্টও করতে হবে না আপনাকে। খুব সহজেই তৈরি করতে পারবেন।
শীতে হাঁসের মাংস খাওয়ার ধুম পড়ে। আর সেই সঙ্গে যদি হয় ছিটা পিঠা তাহলে তো কথাই নেই। ছিটা পিঠা তৈরি করা বেশ সহজ হলেও, অনেকেই তা সঠিক উপায়ে পারেন না। আর এ কারণেই পিঠা মচমচে হয় না।
শীতের সময় হাঁস বেশি খাওয়া হয়। শীত তো এসেই গেল। আপনি চাইলে ঘরেই সুস্বাদু হাঁসের মাংস তৈরি করে সবাইকে চমকে দিতে পারেন। সেজন্য জানতে হবে রেসিপি।
পেঁয়াজু তো খেয়েছেনই, পেঁয়াজ কলি দিয়েও চাইলে পাকোড়া বানাতে পারেন। শীতে বাজারে প্রচুর পেঁয়াজ কলি পাওয়া যায়। পাকোড়ার একঘেয়ে স্বাদ বদলাতে চাইলে পেঁয়াজ কলির পাকোড়া ট্রাই করতে পারেন।
শীতে আসলেই বাজারে পাওয়া যায় খেজুরের গুড়। আর এই সময়টাতে খেজুর গুড়ের তৈরির নানা ধরনের পিঠা পায়েস খাওয়ার ধুম পড়ে যায়। গ্রামে তো বটেই শহরেও চলে এই পিঠা খাওয়ার আয়োজন। তার মধ্যে একটি মজাদার পিঠা হলো পোয়া পিঠা।
খিচুড়ি খাওয়ার উপযুক্ত সময় হলো বর্ষা আর প্রচণ্ড শীত। বাইরে এখন হিমশীতল বাতাস, এই ঠান্ডা আবহাওয়ায় ধোয়া ওঠা খিচুড়ির সঙ্গে যদি গরুর মাংসের ভুনা থাকে তাহলে তো কথায় নেই।
লাউ শাক দিয়ে বানিয়ে ফেলতে পারেন মজাদার ভর্তা। গরম ভাতের সঙ্গে ভর্তাটি খেতে দারুণ সুস্বাদু। জেনে নিন কীভাবে বানাবেন।
শীতে পিঠাপুলি খাওয়ার ধুম পড়ে। বাড়িতে বাড়িতে চলে বাহারি পিঠা তৈরির উৎসব। এসব পিঠা দেখতে যেমন সুন্দর খেতেও বেশ সুস্বাদু। তার মধ্যে জনপ্রিয় একটি পিঠা হলো মেরা পিঠা।